অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ শিরোপা জিতল ভারত

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ শিরোপা জিতল ভারত

যুব এশিয়া কাপের শিরোপা পুনরুদ্ধার করল ভারত। টানা ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গত বছর গ্রুপ থেকে বিদায়ের লজ্জার পেয়েছিল তারা। আবারও তারা এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পেল শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে। এনিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ৭ আসরে ষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।

রবিবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে ১৪৪ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। চার ফিফটিতে ৩ উইকেটে ৩০৪ রান করে তারা। জবাবে ৩৮.৪ ওভারে ১৬০ রানে অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে রোববার আগে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে ৩০৪ রান করে ভারত। জবাবে ৪৮.৩ ওভারে ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। তাতে ১৪৪ রানের বড় জয়ে যুব এশিয়া কাপের শিরোপা উল্লাসে ভারত ভারত।

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে রোববার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ষষ্ঠ শিরোপা ঘরে তুলল ভারত। প্রথম পাঁচ আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারত গত আসরে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়। সেবার পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আফগানিস্তান। এবার অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হল ভারত।

রোববার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে যশ্বসী জয়সওয়ালের সঙ্গে অনুজ রাওয়াত ২৫.১ ওভারে ভারতকে এনে দেন ১২১ রান। ২৬তম ওভারের প্রথম বলে বিপজনক এ জুটি ভাঙেন দুলিথ ওয়েলালাগে। ৭৯ বলে তিন ছয় আর চার চারে ৫৭ রান করে ফিরে যান রাওয়াত। দ্বিতীয় উইকেটে দেবদত্ত পাদিক্কালের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়ে ফিরে যান জয়সওয়াল। ৮ চার ও ১ ছয়ে ১১৩ বলে এই ওপেনার করেন ৮৫ রান। তার বিদায়ের পর দ্রুত ফিরে যান পাদিক্কাল। তবে তাতে কোন সমস্যায় পড়েনি ভারত। উল্টো  শেষটায় ঝড় তুলেন অধিনায়ক সিমরান সিং ও আয়ুশ বাদোনি। তাদের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে শেষ ১০ ওভারে ১১৩ রান তুলে তিনশ ছাড়ায় ভারত।  সিমরান ৩৭ বলে তিন চার আর চার ছয়ে অপরাজিত থাকেন ৬৫ রানে। ২৮ বলে ৫ ছয় আর দুই চারে বাদোনি করেন ঝড়ো ৫২ রান। তার ইনিংসটিতে ছিল পাঁচটি ছয় ও ২টি চার।

জবাব দিতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা হয় ধীরে। সেই সুযোগে লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরে ভারতীয় বোলাররা।  নিপুন পেরেরার বিদায়ে ২০ রানে ভাঙে শুরুর জুটি। টপ অর্ডারের অন্য দুই ব্যাটসম্যান নিশান ফার্নন্দো ও পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারা ফিরেন থিতু হয়ে। দুই ছয় ও এক চারে ৬৭ বলে ৪৯ রান করে ফিরে যান নিশান ফার্নান্দো। ৩২ বলে ৩১ রান করে তার পথে হাঁটেন সুরিয়াবান্দারা। এরপর দ্রুত কালানা পেরেরা ও নুভানিদু ফার্নান্দোকে বিদায় করেন হার্শ। বাঁহাতি এই স্পিনারের চার উইকেটে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে দেয় শ্রীলঙ্কাকে। এরপর অবশ্য আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি দলটি। শেষ দিকে অবশ্য ভারতের বিপক্ষে পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছেন নাবোদ পারানাভিথানা (৬১)।

৩৮ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ভারতের সেরা বোলার হার্সা। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট