অ্যাশেজ সিরিজও বাতিল হতে পারে!

অ্যাশেজ সিরিজও বাতিল হতে পারে!

এসিএ নির্বাহীর মেইলে অ্যাশেজ সিরিজ অনিশ্চয়তায় পড়ার ইঙ্গিত। ফাইল ছবিক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ড আশাবাদী। তিনি মনে করেন, ক্রিকেটারদের সঙ্গে আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে দ্বন্দ্বের অবসান হবে আলোচনা ও সমঝোতার ভিত্তিতেই। সেটি না হলে আদালতের মধ্যস্থতায় সেটি সমাধান হতে বাধ্য। কিন্তু অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারদের সংগঠন এসিএর প্রধান নির্বাহী অ্যালিস্টার নিকোলসন মনে করেন, আদালতের শরণাপন্ন হলে সমস্যাটা দীর্ঘায়িতই হবে। সংগঠনের সদস্যদের কাছে পাঠানো এক ই–মেইল বার্তায় তিনি বলেছেন, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া যদি আদালতের শরণাপন্ন হয়, তা কেবল সমস্যাটা দীর্ঘায়িতই করবে। এ কারণে অ্যাশেজ সিরিজও সমস্যায় পড়তে পারে।

অস্ট্রেলীয় পত্রিকা ‘দ্য অস্ট্রেলিয়ান’ জানিয়েছে, নিকোলসন আদালতের মধ্যস্থতায় দেখছেন অনেক সমস্যা। তিনি মনে করেন, এই সমস্যা সমাধানে আদালতে গেলে অনেক সময় তো লেগে যাবেই; ব্যাপারটা অনেক খরচান্তও। আদালতের পেছনে যে অর্থ ব্যয় করা হবে, সেটি তৃণমূল স্তরে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের উন্নতিতে কাজে লাগানো যায়। নিকোলসনের মতে, ক্রিকেটের মতো একটি আন্তর্জাতিক খেলার সমস্যা সমাধানে আদালতকে আলাদা নীতিমালার ওপর কাজ করতে হবে। যেটি এই সমস্যাকে আগামী গ্রীষ্ম পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে পারে।

এই মুহূর্তে অবশ্য আলোচনার ওপরই জোর দিচ্ছে এসিএ, ‘আমাদের উচিত এই মুহূর্তে আমাদের সব সময় আলোচনায় বিনিয়োগ করা। আলোচনায় সমাধান না হলে আদালতের ব্যাপারটি ভাবা যাবে।’

আদালতের মধ্যস্থতা সম্পর্কে এসিএর বক্তব্য, ‘সমস্যার সমাধান না হলে আদালতের মধ্যস্থতার প্রশ্ন আসবে। কিন্তু আমরা মনে করি, এটি ক্রিকেটের জন্য খুব বড় একটা প্রক্রিয়া।’

এসিএর প্রধান নির্বাহীর বক্তব্য একটি ব্যাপারে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে পরিষ্কার ইঙ্গিতই দিয়ে দিয়েছে। সমস্যার সমাধান না হলে অস্ট্রেলীয় ‘এ’ দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের মতো অন্য সব সিরিজই বয়কট করতে পারেন খেলোয়াড়েরা। বাংলাদেশ সফর তো বয়কটের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা। এখন সমস্যাটা যদি আদালতে গড়ায়, তাহলে অ্যাশেজ সিরিজ বাতিল করার মতো অপ্রিয় সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট