আন্তর্জাতিক ওজন দিবস আজ

আন্তর্জাতিক ওজন দিবস আজ

আজ বিশ্ব দিবস। ওজন স্তরের ক্ষয় ও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর ১৬ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক ওজন দিবস পালন করা হয়। বিশ্বের অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবস পালিত হয়ে আসছে।

বায়ুমণ্ডলের ওজনস্তর সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে প্রতিনিয়ত ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাসসহ অন্য ওজনস্তর ক্ষয়কারী গ্যাস উৎপাদন ও ব্যবহারের ফলে ওজনস্তর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিই এই দিবসটির লক্ষ। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ওজোন এ্যান্ড ক্লাইমেট : রিস্টোর্ড বাই এ ওয়ার্ল্ড ইউনাইটেড’ যার ভাবার্থ ‘বিশ্ববাসীর একই সুর-ওজোন ক্ষয় করব দূর, সুরক্ষা হবে জলবায়ুর’ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ওজোন স্তর রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এ বছরের প্রতিপাদ্য তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণীতে ওজন স্তর রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ওজোন স্তর ক্ষয়ের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় টেকসই প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে সবাইকে পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণ ওজোনস্তর রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বায়ুমণ্ডলের ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী দ্রব্যগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজনস্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়। এই দিনটিতেই পালিত হয় বিশ্ব ওজন দিবস বা আন্তর্জাতিক ওজনরক্ষা দিবস হিসেবে। ২০৪০ সাল নাগাদ প্রটোকলে অন্তর্ভুক্ত সবদেশে এসব গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ হওয়ার কথা। বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে এই মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে। এরপর থেকে বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট