যে ভাবে আপনার বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন

যে ভাবে আপনার বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন

স্মৃতিশক্তি প্রত্যেকের জীবনের এক অমূল্য সম্পদ। সারাজীবন জুড়ে সব কাজে তার প্রভাব পড়ে। সাফল্য পেতে সাহায্য করে। তাই ছোটো থেকেই বাচ্চার স্মৃতিশক্তি যাতে প্রখর হয়, প্রত্যেক বাবা-মায়ের সেদিকে নজর থাকে। কীভাবে শিশুর স্মৃতিশক্তিকে মজবুত করে তুলবেন, তার জন্য রইল কিছু টিপস্ –

কালার কোডিং : আমাদের আশপাশে অনেক কিছুই ঘটে। কিন্তু কোনটা মনে রাখবে কোনটা নয়, তা ঠিক করে মস্তিষ্ক। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, কালার অর্থাৎ কোনও রং আমাদের মস্তিষ্কে বিশেষভাবে প্রভাব ফেলতে পারে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও সেটা হয়ে থাকে। পড়ার বইয়ের কোনও অংশ যদি রং দিয়ে মার্ক করে রাখেন, বাচ্চাদের সেই জিনিসটি মনে রাখতে সুবিধে হয়। অনেকদিন পর্যন্ত মনেও থাকে।

পড়ার সময়কে করুন মজাদার : পড়তে বসার নাম শুনলেই দৌড়ে পালায় ছোট্টটি! এমনটা যেন একেবারেই না হয়। পড়তে বসা ব্যাপারটি যাতে ভয়ের কারণ না হয়। মজার খোঁজ পেলেই বাচ্চাদের বেশি জোর করতে লাগে না। নিজের ইচ্ছেতেই পড়তে বসবে। রিসার্চ বলছে, পড়ার সময়টি মজাদার হয়ে ওঠলে, বাচ্চাদের মনে রাখার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

লিঙ্ককিং থিয়োরি : হিউম্যান মেমরি নিয়ে পরীক্ষা করার সময় বিজ্ঞানীরা এক মজাদার সত্য উৎঘাটন করেন। পরীক্ষায় দেখা যায়, একটি বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়গুলির বিশ্লেষণ কোনও কিছু মনে রাখতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটে থাকে। বাচ্চারা যাতে মনে রাখতে পারে সেজন্য বিষয়টি ভালো করে বোঝাতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক উদাহরণের ব্যবহার কার্যকরী।

ছোট্ট বিরতি : একটানা কোনও কিছুই ভালো লাগে না। অনেকক্ষণ ধরে পড়াশোনা করে গেল বাচ্চার স্মৃতিশক্তি বাড়বে এমনটা নয়। বরং এর উত্তরে বিজ্ঞানীরা বলছেন, পড়াশোনার মাঝে ছোট্ট বিরতি নেওয়া প্রয়োজন, তাতে স্মরণশক্তি বাড়ে।

মানসিকচাপ নয় : মানসিকচাপ বাচ্চার পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে। মানসিক অস্থিরতা চলতে থাকলে কোনও কিছু মনে রাখা কঠিন। ফলত, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাচ্চার স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করে তুলতে বাচ্চাকে রাখুন টেনশন ফ্রি।

মেমরি গেম : ছোটোবেলায় বাচ্চাকে যা শেখাবেন, ওরা তাই শিখবে। বাচ্চার স্মৃতিশক্তিকে প্রখর করতে মেমরি গেম খেলা কার্যকরী। খেলার ছলে বাচ্চা অনেককিছু শিখতে পারে, আবার তা মনেও রাখে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট