আমাকে বেশ্যা বললে কিছু আসে যায় না

আমাকে বেশ্যা বললে কিছু আসে যায় না

সংবাদমাধ্যমকে সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাওয়াত জানিয়েছেন, কোনও মেয়ে সেক্সুয়ালি অ্যাকটিভ মানেই সে বেশ্যা (Whore), সফল মানেই সাইকোপ্যাথ। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ এভাবেই দেখা হয় মেয়েদের। হৃতিকে সঙ্গে ঝামেলা, অধ্যয়ণ সুমনের বক্তব্য ইত্যাদি মিলিয়ে কঙ্গনার এখন শনির দশা চলছে। তারই মাঝে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিস্ফোরক কিছু মন্তব্য করলেন কঙ্গনা।

বেশ্যা (Whore), ডাইনি, সাইকোপ্যাথ। কঙ্গনার নামের সঙ্গে সেলেব্রিটি থেকে সোশাল সাইট ইউজার্স, অনেকেই এই বিশষণগুলি জুড়ে দিয়েছেন। কয়েকদিন আগে অধ্যয়ণ সুম জানিয়েছিলেন কঙ্গনা নাকি তাঁকে ব্ল্যাক ম্যাজিক করেছিলেন।

এইদিকে টুইটারে তো হ্যাশ ট্যাগই চালু হয়ে গেছে “ক্যারেক্টারলেস কঙ্গনা” নামে। কঙ্গনা কিন্তু এ সব ব্যাপারে একেবারেই মাথা ঘামাতে রাজি নন।

তিনি জানিয়েছেন, এই সমাজে কোনও মেয়ে যদি অবিশ্বাস্যভাবে সাফল্য অর্জন করে, তবে তাকে বলা হয় সাইকোপ্যাথ। কোনও মেয়ে যদি সেক্সুয়ালি অ্যাকটিভ হয়, তাকে বলা হয় বেশ্যা (Whore)। আর কোনও মেয়ের সাফল্য নিয়ে যখন কেউ হিংসা করে, প্রথমেই যে শব্দটা বের হয়, তা হল ডাইনি। যুগ যুগ ধরে মেয়েদের বিরুদ্ধে এই ধরনের শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়।

কঙ্গনার সঙ্গে যে সমস্ত ঘটনা ঘটছে, তা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। কিন্তু যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় তিনি কি কোনও কিছুর জন্য আফশোস করেন? অথবা কোনও কিছুর জন্য কি তিনি দুঃখ প্রকাশ করতে চান? কঙ্গনার উত্তর ছিল, “না।” যা তিন নন তাঁর জন্য দুঃখিত তিনি হতে যাবেন কেন? লোক দেখানো ব্যাপার তাঁর আসে না।

সবাই তাঁর মেনস্ট্রুয়েশন নিয়ে আলোচনা করছে। অ্যাপেটাইজ়ার বা ককটেল নয়। “আমি এটা বুঝতে পারি না, এর মধ্যে লজ্জাজনক কী আছে? কেন মেয়েদের বলা হয় পিরিয়ড ব্লাড মানে লজ্জার বিষয়? পুরুষ শরীররের ফ্লুইড নিয়ে তো এমন কিছু হয় না। তাহলে শুধু মহিলাদের ক্ষেত্রেই কেন?” বলেছেন কঙ্গনা।

সবাই তাঁর মেনস্ট্রুয়েশন নিয়ে আলোচনা করছে। অ্যাপেটাইজার বা ককটেল নয়। “আমি এটা বুঝতে পারি না, এর মধ্যে লজ্জাজনক কী আছে? কেন মেয়েদের বলা হয় পিরিয়ড ব্লাড মানে লজ্জার বিষয়? পুরুষ শরীররের ফ্লুইড নিয়ে তো এমন কিছু হয় না।” বলেছেন কঙ্গনা।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট