‘আমাদের কাছে যে পরিমাণ ত্রাণ মজুত আছে’

‘আমাদের কাছে যে পরিমাণ ত্রাণ মজুত আছে’

আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে বারো মাসের মধ্যে সাত মাসই দুর্যোগে থাকি। তবে শেখ হাসিনার সরকারের বলিষ্ট নেতৃত্বে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের কাছে যে পরিমাণ ত্রাণ মজুত আছে তা নেওয়ার মতো লোক নেই।

সোমবার নীলফামারী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

মন্ত্রী বলেন, শিলাবৃষ্টি, বন্যা, খরা, পাহাড় ধসে মানুষ বিপদগ্রস্ত হচ্ছে। বজ্রাঘাতে দেশের মানুষ অকালে প্রাণ হারাচ্ছে। এতো প্রাকৃতিক ক্ষতির মধ্যেও রোহিঙ্গা সমস্যা রয়েছে। তাদের স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য, চিকিৎসা, বস্ত্রসহ নানা বিষয়ে সরকার খেয়াল রাখছে।

পানি উন্নয়ন বোডের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মন্ত্রী বলেন বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ সংস্কার ও রক্ষা করতে পারলে শতকরা ৭৫ ভাগ বন্যা থেকে রক্ষা পাবে এলাকার মানুষজন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ রিলিফ চায় না, তারা বাঁধ রক্ষা চায়। এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।

নীলফামারীর ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা এই তিন উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা আছে বলে জানান তিনি। বন্যার পূর্বপ্রস্ততি হিসেবে ওই তিন উপজেলায় ৬০০ বান্ডিল টেউটিন, দুই হাজার কেজি শুকনা খাবার, ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ইঞ্জিনচালিত ছয়টি নৌকা বরাদ্দ করেন মন্ত্রী। এছাড়াও ঘড় নির্মাণ বাবদ ১৮ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল, নীলফামারী ১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাফ উদ্দিন সরকার, ৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, নীলফামারী পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহম্মেদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামূন ভূইয়া, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আব্দুল মোত্তালেবসহ প্রমুখ।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট