আমি বেঁচে আছি এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার- সেরেনা উইলিয়ামস

আমি বেঁচে আছি এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার- সেরেনা উইলিয়ামস

২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শিরোপা জয়ের পর কোর্টের বাইরে চলে যান সন্তানসম্ভবা সেরেনা উইলিয়ামস।  গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো সন্তানের মা হন টেনিস কুইন। এরপর প্রথমবার তাকে কোর্টে র‌্যাকেট হাতে দেখা যায় ডিসেম্বরে দুবাইয়ে এক প্রদর্শনী ম্যাচে।

চলতি মাসের ১১ তারিখ নর্থ ক্যারোলিনার অ্যাশভিল ভেন্যুতে ফের মাঠে নামেন সেরেনা।

ওই ম্যাচের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায় চোখের পলকেই। দর্শকরা দাঁড়িয়ে করতালিতে কোর্টে সম্ভাষণ জানায় নারী টেনিসের সবচে বড় তারকাকে।

তবে গ্যালারির ভিআইপি কর্নারে সবার নজর কাড়ে মার্কিন তারকার  মেয়ে সন্তান অ্যালেক্সিস অলিম্পিয়া ওহানিয়ান জুনিয়র।

তবে এবার এক সাক্ষাতকারে ভয়ঙ্কর তথ্য দিলেন সেরেনা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার তথ্য দিলেন তিনি।

সর্বাধিক ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপার রেকর্ডধারী জানান, সন্তান জন্ম দেয়ার সময় ৬ দিন জরুরীবিভাগে থাকতে হয়েছিল তাকে।

নিজেকে ভাগ্যবতী সেরানা বলেন, আমি বেঁচে আছি এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। আমার মেয়ে জন্ম নেয়ার সময় তার হৃৎস্পন্দন হঠাৎ কমে যায়। তবে অস্ত্রোপচার বেশ ভালভাবেই হয়েছিল। তবুও সমস্যা দেখা দেয়। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমার শারীরিক সমস্যা বাড়ে যায় রক্ত জমাট বেঁধে আমার ফুসফুসে ঢুকে গিয়েছিল। এ কারণে ৬ দিন জরুরী বিভাগেও থাকতে হয়েছে আমাকে।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমার ফুসফুসে সমস্যা আছে। ওই সময় এতটাই ভয় পেয়েছিলাম যে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল আমার। আবারও অস্ত্রোপচার করতে হয়। সে সময় ডাক্তাররা জানায়, আমার তলপেটে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার পরও প্রায় ৬ সপ্তাহ বিছানায় থাকতে হয়েছিল আমার।’

চলতি বছর আরও তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম রয়েছে যদিও সেগুলোতে যোগ দেবেন কিনা সে বিষয়টি স্পষ্ট করেননি এই তারকা।

সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে তাকে ‘নতুন জীবন’ দান করায় চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানান মিশিগানে জন্ম নেয়া এই টেনিস প্লেয়ার।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট