ঈদের ছুটিতে ঢাকায় আছেন? তাহলে ঘুরে আসুন এসব স্থানে

ঈদের ছুটিতে ঢাকায় আছেন? তাহলে ঘুরে আসুন এসব স্থানে
এবার ঈদের ছুটি সব মিলিয়ে একেবারে কম নয়। তাই নাড়ির টানে রাজধানী ছেড়েছেন অসংখ্য মানুষ। এরপরও নানা কারণে ঢাকায় থেকে ঈদ পালন করছেন অনেকেই। সুযগে বেড়িয়ে পড়ুন। রাজধানীর ফাঁকা রাস্তা দিয়ে যেকোনো জায়গায় যাওয়া দারুণ অভিজ্ঞতা। এছাড়া রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো আপনারই জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
শিশু থেকে শুরু করে সকল বয়সের মানুষের জন্য অন্যতম বিনোদনের স্থান মিরপুর চিড়িয়াখানা। যেকোনো ছুটির দিনেই উপচে পড় ভিড় হয় এখানে। আর ঈদের ছুটি হলে তো কথাই নেই। ঈদের পরের দিন আজ মঙ্গলবার চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা দেড় লাখ অতিক্রম করেছে বলে জানা গেছে।
ঢাকার রাজপথগুলো ফাঁকা থাকলেও অতিরিক্ত মানুষের চাপে চিড়িয়াখানা রোডে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত ৩০ টাকার টিকিট কেটে দেখে আসুন বন্য পশুপাখিদের খাঁচাবন্দী জীবন।
ঘুরে আসুন মিরপুর চিড়িয়াখানায়।
রাজধানীর শাহবাগের শিশুপার্ক হলো শিশুদের জন্য স্বর্গরাজ্য। শিশুপার্কে বর্তমানে ১১টি রাইড রয়েছে। ঈদের প্রথম চারদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে পার্ক। প্রবেশ মূল্য ১৫ টাকা। প্রতিটি রাইড চড়ার জন্য দিতে হবে ১০ টাকা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা বুধবার বিনা টিকিটে পার্কে প্রবেশ ও রাইডে চড়ার সুযোগ পাবে।
ঈদের দিনে বন্ধ ছিল শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর। তবে আজ ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।  বাকী দিনগুলোতে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গ্যালারি ঘুরে দেখতে পারবেন দর্শনার্থীরা। জাদুঘরের আরেক প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা জাদুঘর একই সময়সূচিতে খোলা থাকবে। থাকছে বিনামূল্যে চলচ্চিত্র দেখার ব্যবস্থা।
ঐতিহাসিক স্থান দেখতে চলে যান পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল।
মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকার শিশু-কিশোরদের প্রধান বিনোদন কেন্দ্র শ্যামলীতে অবস্থিত ডিএনসিসি ওয়ান্ডারল্যান্ড (সাবেক শিশুমেলা)। এখানে আছে ৪০টির মতো রাইড। পরিবারের সবার চড়ার মতো আছে ১৫টি রাইড। ঈদের প্রথম সাত দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ওয়ান্ডারল্যান্ড। প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৫০ টাকা।
এছাড়া ঘুরে আসতে পারেন ঢাকার অদূরে অবস্থিত কিছু বিনোদন কেন্দ্রে। আশুলিয়ার ফ্যান্টাসি কিংডম ও ওয়াটার কিংডমঈদের প্রথম সাত দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বড়দের প্রবেশ মূল্য ৪০০ টাকা, ছোটদের ৩৫০ টাকা। এছাড়া থাকছে রাইডে চড়ার বিভিন্ন প্যাকেজ। এছাড়া আশুলিয়ার নন্দন পার্ক সকাল থেকেই খোলা আছে। প্রবেশ মূল্য ২৯৫ টাকা। খাবারসহ সব রাইড উপভোগ করতে জনপ্রতি খরচ ৮৯৫ টাকা। এসব থিম পার্কে থাকছে বিভিন্ন কনসার্টসহ ঈদ আয়োজন।
রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর।
মানুষের ভিড় এড়িয়ে একটু খোলা জায়গায় যেতে চাইলে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ধানমন্ডি লেক, রমনা পার্ক, চন্দ্রিমা উদ্যান, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ইত্যাদি। পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য রয়েছে বাহাদুর শাহ পার্ক, বলধা গার্ডেন ইত্যাদি জায়গা। এছাড়া ঐতিহাসিক স্থানগুলোর মধ্যে আছে আহসান মঞ্জিল, লালবাগ কেল্লা, বড়কাটরা, ছোটকাটরা, লালকুঠি ইত্যাদি স্থানে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট