একজন ব্যাটসম্যানকে খুব করে আঘাত করতে চাইতাম: শোয়েব

একজন ব্যাটসম্যানকে খুব করে আঘাত করতে চাইতাম: শোয়েব

গতি, সুইং আর ইয়র্কারে অসংখ্য ব্যাটসম্যানের নাভিশ্বাস ছুটিয়েছেন শোয়েব আখতার। তার বলে অনেক ব্যাটসম্যানকেই আহত হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে। ব্যাপারটি খুব একটা উপভোগ করতেন না রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস। তবে একজন ব্যাটসম্যানকে খুব করে আঘাত করতে চাইতেন তিনি। সেই ব্যাটসম্যান হলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার ম্যাথু হেইডেন।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে শোয়েব জানিয়েছেন, তার বলে আহত হয়ে ১৯ জন ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরেছেন। তিনি সেটি উপভোগ না করলেও হেইডেনকে আঘাত করতে চাইতেন। বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও অবশ্য তাতে সফল হতে পারেননি পাকিস্তানের সাবেক পেসার।

১৯ ব্যাটসম্যানকে রিটায়ার্ড হার্টের শিকার বানিয়ে সাজঘরে ফেরত পাঠানোর কথা উল্লেখ করে শোয়েব লেখেন, ‘আমি কখনোই এটি উপভোগ করতাম না। তবে একজন বাদে। তাকে আমি খুব করে আঘাত করতে চাইতাম।’

সেই টুইটে অনুসারীদের কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে ব্যাটসম্যানের নাম জানতে চান শোয়েব আখতার। পরে তিনি নিজেই ম্যাথু হেইডেনের নাম জানান।

একবিংশ শতাব্দীতে শোয়েব এবং হেইডেনের মধ্যকার বেশ কয়েকটি রোমাঞ্চকর দ্বৈরথ দেখে ক্রিকেটবিশ্ব। এরমধ্যে ২০০২ সালে শারজাহ টেস্টে আলোচিত বিধ্বংসী সেঞ্চুরিটি করেন হেইডেন। এছাড়া ২০০৪-০৫ মৌসুমেও এই দুজনের মধ্যে লড়াই বেশ জমে ওঠে।

১৯৯০-২০০০ মৌসুমে হেইডেনকে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন শোয়েব। সেবার কুইন্সল্যান্ডের ব্যাটসম্যানের শরীর লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি বল ছুঁড়েন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস। এমনকি হেলমেট তাক করেও বল ছুঁড়েন তিনি। যদিও কোনোটিই হেইডেনকে আঘাত করতে পারেনি।

প্রথম ইনিংসে ১১ রান করে আউট হওয়া হেইডেন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১২৮ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। শেষ পর্যন্ত শোয়েবের ধেয়ে আসা বলে উইকেট দিয়েই সাজঘরে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ওপেনার।

শোয়েব ও হেইডেন পাঁচবার টেস্টে একে অন্যের মুখোমুখি হন। এরমধ্যে তিনবার এই অজি কিংবদন্তিকে আউট করেন পাকিস্তানের সাবেক পেসার। ২০০৪ সালে হোম সিরিজেই তিনবার শোয়েবকে উইকেট দেন হেইডেন। এছাড়া মাঠে এই দুজনের মধ্যকার যুদ্ধাংদেহী আক্রমণাত্মক অঙ্গভঙ্গি তো ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট