‘একাই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য সৌম্যর আছে’

‘একাই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য সৌম্যর আছে’

এশিয়া কাপে হুট করেই ডাক পড়েছিল দুজনের। নতুন করে ফেরার পালা শুরু একসঙ্গেই। সময় আর পরিস্থিতি ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকারকে মিলিয়েছিল এক বিন্দুতে। সেই তারাই এবার মিলে গড়লেন রেকর্ড এক জুটি। এমন জুটির জন্য ম্যাচ শেষে ইমরুল সতীর্থ সৌম্যকেই ভাসিয়েছেন প্রংশয়ায়।

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশনে দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রানের জুটি গড়েন ইমরুল-সৌম্য। ওয়ানডেতে দ্বিতীয় উইকেটে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। ঘরের মাঠে যেকোনো উইকেট জুটিতেও এটিই সেরা।

২২০ রানের মধ্যে ১১৭ রান করেছেন সৌম্য। ইমরুলের অবদান ৯১। সৌম্য আউট হওয়ার পর সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিনিও। শুরুতে আগ্রাসী ছিলেন ইমরুল। বেশ আগে ফিফটি পান তিনি। সৌম্য ৫৪ বলে ফিফটি তুলে নেওয়ার পর চালিয়েছেন তান্ডব। পরের ২৭ বলে করেছেন আরও ৫০ রান। ইমরুলের বেশ আগেই তিন অঙ্ক পার করে আরও বড় কিছুর দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। আরেক পাশে দাঁড়িয়ে সৌম্যকে এমন খেলতে দেখা ইমরুলের কাছে দৃষ্টিনন্দন, ‘সৌম্য ঘরোয়া পর্যায়ে থেকে ভালো করছে। ও এখন আত্মবিশ্বাসী। ওর মতো খেলোয়াড় যেদিন খেলবে, আমি বিশ্বাস করি সেদিন ‘ওয়ান ম্যান শো’ হয়ে যাবে। একাই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য ওর আছে। আমি মনে করি, ও এই যে ক্যাম ব্যাক করছে, এটা ধরে রাখবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের জন্য তাহলে লাভ হবে।’

বিশাল জুটি গড়েছেন, দুজনের এক বিন্দুতে মিলে যাওয়ার পরিস্থিতিই কি তাদের মধ্যে তৈরি করেছেন নতুন মিথস্ক্রিয়া? এমন প্রশ্নের জবাবেও সৌম্যকে কৃতিত্ব দিলেন ইমরুল, ‘সৌম্যের সঙ্গে যখন ব্যাটিং  করি, তখন নিজের কাছে খুব ভালো লাগে। কারণ, ওর সঙ্গে ব্যাটিং করলে চাপ থাকে না। ও অনেক স্ট্রোক খেলে। যার জন্য আমি এক পাশ থেকে যদি রান নাও করতে পারি এরপরও দেখা যায় ও আরেক পাশ থেকে সেটা পুষিয়ে দেয়।’

‘এটা তামিমের সঙ্গেও হয়। আমার সঙ্গে যখন জুটি হয় তামিম তখন অনেক স্ট্রোক খেলে। এই জন্য (আজকে সৌম্যর সঙ্গেও জুটি) ভালো হয়েছে। রান রেটও ভালো ছিল। সব মিলিয়ে সৌম্যর সঙ্গে ব্যাটিং উপভোগ করেছি।’

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট