এবার পূজায় যেমন পোশাক

এবার পূজায় যেমন পোশাক

সালোয়ার-কামিজে এই বছর কাট তো থাকবেই, পাশাপাশি ফিউশনধর্মী কামিজও চলবে বেশ। এখানে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ধারার একটা প্রভাব দেখা যাবে। যেমন হুমায়রা খানের নকশায় করা লাল কামিজে জরির জারদৌসি কাজে আনা হয়েছে ঐতিহ্যের আমেজ। তেমনি বোট নেক আর হাতা কাটা হলুদ কামিজে থাকছে পাশ্চাত্য ঘরানার ছোঁয়া।

গতানুগতিক কাটছাঁটের বাইরে একটু অন্যরকম কাটের পোশাক নজর কাড়ছে পূজায়। আনোখির পূজার পোশাকের সংগ্রহে তেমনই দেখা গেল। রং, নকশা আর পোশাকের কাটছাঁটে নতুনের ছোঁয়া এনেছেন আনোখির স্বত্বাধিকারী হুমায়রা খান। পাশ্চাত্য ঘরানার পোশাক জাম্পস্যুট, রঙে থাকছে রয়্যাল ব্লুর প্রাধান্য। তবে মোটিফ হিসেবে এসেছে আলপনা। পূজার প্যান্ডেলে আঁকা নকশার ব্যবহার জাম্পসুটের মতো পোশাকে এনেছে পূজার আমেজ। ক্রেপ লিনেনের লম্বা টিউনিকেও জংলি ফুল আর আলপনা ব্যবহার করা হয়েছে।

পূজার পোশাকে সাদা রঙের আবেদন অন্য রকম। হালকা সাদা মসলিনের পাড়ে জরির চুমকি কাজ শাড়িতে এনেছে উৎসবের আমেজ। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের স্বত্বাধিকারী মুনিরা ইমদাদ বলছিলেন, সাদার বিভিন্ন ধরন, যেমন হালকা সাদা, ক্রিম—এই রংগুলো এখন চলছে বেশি। শাড়ির জমিনজুড়ে জমকালো কাজ এখন বেশি দেখা যায় না। এর পরিবর্তে মসলিন শাড়ির আঁচল আর পাড়ে জারদৌসি বা এমব্রয়ডারির কাজ ক্রেতাদের বেশি পছন্দ।

হালকা কমলা রঙের সুতি শাড়ির পাড়ে অ্যাপ্লিকের কাজ। উৎসবের আমেজ আনতে চুমকির কাজ করা হয়েছে। বিপরীত রঙের ব্লাউজের সঙ্গে পূজার যেকোনো দিন যেকোনো বেলায় মানিয়ে যাবে এই শাড়ি।

পূজায় সিল্কের শাড়ির চাহিদা একটু বেশিই থাকে বলে জানালেন মুনিরা ইমদাদ। পূজা উপলক্ষে এই বিশেষ নকশার শাড়ি এনেছে টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির। টাঙ্গাইল সিল্কের পুরো জমিনে থাকছে হালকা নকশিকাঁথার বুনন।

পূজায় যেহেতু সারা দিন ঘুরে বেড়ানো হয়, তাই হালকা নকশার শাড়ির প্রতিই ক্রেতাদের ঝোঁকটা বেশি থাকে বলে জানালেন বিবিয়ানার স্বত্বাধিকারী ডিজাইনার লিপি খন্দকার। এবারের পূজায় শাড়ির নকশায় ব্লকের চাহিদা থাকবে বেশি। ব্লকের শাড়ির নকশায়ও এবার দেখা গেল নতুনত্ব। শাড়ির আঁচল আর পাড়ে ফুলের বা জ্যামিতিক মোটিফের ব্যবহার এবার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট