‘এ বৈঠক এসিড টেস্ট; ব্যর্থ হলে চরম মূল্য’

‘এ বৈঠক এসিড টেস্ট; ব্যর্থ হলে চরম মূল্য’

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠককে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই কূটনীতির ক্ষেত্রে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ বলে মনে করছেন। তারা বলছেন, এ বৈঠকের ফলে দু দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরমাণু ইস্যুতে বিরাজমান অচলাবস্থা দূর হতে পারে। তবে যদি ইতিবাচক ফলাফল না আসে তাহলে চরম মূল্য দিতে হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বৈঠকের ফলাফল সংকটের মধ্যে পড়তে পারে কারণ আমেরিকা ও উত্তর কোরিয়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। যার কারণে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় দেরি হতে পারে। কোরিয় উপদ্বীপের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টিকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং কিম জং উন তা এখনো ঠিক করতে পারেন নি। এ বিষয়ে দু নেতার মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা খুবই জরুরি। তা না হলে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি সামনে এগুবে না।

আমেরিকা চায় উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু অস্ত্র এবং এ সংক্রান্ত কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করুক যা কোনোভাবেই চালু করা যাবে না। অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়া তার নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা চায়। এছাড়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে আমেরিকা যে পরমাণু নিরাপত্তা দিয়ে আসছে তা প্রত্যাহার করতে হবে বলেও পিয়ংইয়ং দাবি করছে। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন ২৮ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে হবে। উত্তর কোরিয়ার এসব দাবির মুখে আমেরিকা কী ধরনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে তা নিয়ে তারা এ পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানায় নি।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*

সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট