কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকেট প্রত্যাশী ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

কমলাপুর রেলস্টেশনে  টিকেট প্রত্যাশী ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়

কোরবানি ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রির তৃতীয় দিনেও কমলাপুর রেলস্টেশনে টিকেট প্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভিড়। পছন্দ মতো টিকেট না পাওয়ায় কিছুটা ক্ষোভ থাকলেও দীর্ঘ অপেক্ষার পর টিকেট পেয়ে খুশি যাত্রীরা। তবে, টিকেট কালোবাজারি রোধে কঠোর হওয়ার কথা জানালেন রেল কর্তৃপক্ষ। এদিকে, বাস কাউন্টারগুলোতেও টিকেট প্রত্যাশীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা, তবু নেই এতটুকু ক্লান্তি। প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা হবে, এখন শুধু দিনগোনা। যেতে হবে বাড়ি। তাই তো কমলাপুর রেলস্টেশনে ২৩টি কাউন্টারের সামনেই টিকেট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন।

নানা ঝক্কি ঝামেলা পেরিয়ে হাতে যখন টিকেট, তখন উচ্ছ্বসিত অনেকে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, কাউন্টার থেকে ধীর গতিতে টিকেট দেয়ার।

এক যাত্রী বলেন, ‘টিকেট পাওয়া তো সোনার হরিণের মতোই। এ জন্য সারারাত থাকি, একটু আরামে যাওয়ার জন্য।’

আরেকজন বলেন, ‘সারারাত জেগে থাকার পরও দেখা যাচ্ছে, দুয়েকটা টিকেট দেয়ার পর বলছে, এসি নাই।’

আরেকজনের অভিযোগ, ‘কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যাচ্ছে- এগুলো সরকার দেখবে। সরকার যদি এগুলো না দেখে, তাহলে পাবলিকের তো ভোগান্তি থাকবেই।’

ঈদ উপলক্ষে আজ নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি বিশেষ ট্রেনের টিকেট দেয়া হচ্ছে বলে জানান কমলাপুর রেলস্টেশনে ম্যানেজার। এছাড়া যাত্রীদের অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রতিটা ট্রেনেই অতিরিক্ত বগি সংযোজন করেছি। এছাড়া ঈদের আগের পাঁচদিন অনেকগুলো ট্রেনের অফ ডে উইথড্র করা হয়েছে।’

এছাড়া ঈদের আগাম টিকেট কাটতে আজও ভিড় ছিল বাস কাউন্টারগুলোতে। ভোর ৫টা থেকে কাউন্টারে আসতে থাকেন টিকেট প্রত্যাশীরা। তবে, ঈদের আগে সরকারি ছুটির দিনে টিকেট শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

একজন বলেন, ‘আমাদেরকে বলা হয়েছে, ৬টার টিকেট ৮টায় দেবে। এরপর ৯টা, এরপর বলা হলো ১০ টায়। এখন ম্যানেজার এসেছে, বলে আজকে টিকেট দেবে না, গাড়ির রুট পারমিট নাই, কাগজপত্র নেই। এতে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি।’

কল্যাণপুর বাস কাউন্টারে টাঙ্গাইলগামী সকাল-সন্ধ্যা নামের পরিবহনে আজ থেকে অগ্রিম টিকেট দেবার কথা থাকলেও তা বাতিল হওয়ায় ক্ষোভে প্রকাশ করেন টিকেট প্রত্যাশীরা।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট