খালেদা জিয়ার আইনজীবী হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন ড. কামাল

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন ড. কামাল

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে অংশ নেয়ার অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও ব্যারিস্টার ড. কামাল হোসেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ খালেদা জিয়ার কয়েকজন আইনজীবী তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এ কথা জানান।

কামাল বলেন, তিনি এখন কোনো ক্রিমিনাল কেস নেন না তবে খালেদা জিয়ার প্রতি তার সহানুভূতি থাকবে।

এদিকে, ২০১৫ সালে কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসনসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া আদেশ স্থগিত করেছে চেম্বার আদালত।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন পাওয়া নিয়ে তার আইনজীবীদের ব্যর্থতার আলোচনার মধ্যেই আরেকবার ধাক্কা খেল এই আইনজীবী প্যানেল।

মঙ্গলবার সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান, আমিনুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনের অফিসে গিয়ে তাকে এ মামলার শুনানিতে অংশ নেয়ার অনুরোধ জানান।

কিন্তু এখন ক্রিমিনাল কেস প্যাক্টিস না করা এবং এসব বিষয় কম বোঝার কারণে তাদের এ অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়ে ড. কামাল বলেন, এই মামলার শুনানিতে অংশ না নিলেও খালেদা জিয়ার প্রতি তার সহানুভূতি থাকবে।

আব্দুর রেজাক খান ছাড়াও এই দুর্নীতি মামলায় উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে রয়েছেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন সিনিয়র কাউন্সিলর হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন।

এদিকে, ২০১৫ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের হতাহতের ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশ স্থগিত করেছে চেম্বার আদালত।

আগামী ২৯ মার্চ শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ, ২০১৫ সালের ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গত বছর চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। এরপর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২৫ অক্টোবর মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেয়।

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক