খাশোগির ছেলেকে চাপের মুখে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিলো সৌদি

খাশোগির ছেলেকে চাপের মুখে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিলো সৌদি

সৌদি কনস্যুলেটে নিহত প্রখ্যাত সাংবাদিক জামাল খাশোগির ছেলে সালাহ খাশোগিকে শেষ পর্যন্ত দেশ ত্যাগের অনুমতি দিয়েছে রিয়াদ। আন্তর্জাতিক চাপ ও সমালোচনার মুখে সৌদি সরকার দেশ ত্যাগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর খাশোগির বড় ছেলে সালাহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আমেরিকায় চলে গেছেন।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) তারা আমেরিকায় পৌঁছেছেন। খাশোগি পরিবারের বিশ্বস্ত একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ খবর জানিয়েছে।

সৌদি সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে খাশোগির ছেলে সৌদি আরবের বাইরে যেতে পারছিলেন না। এ কারণে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা সৌদির সমালোচনা করে আসছিল।

সম্প্রতি খাশোগির ছেলে সালাহকে রাজপ্রাসাদে ডেকে এনে তাকে সাক্ষাৎ দেন সৌদি রাজা সালমান ও যুবরাজ মুহাম্মাদ। এর কয়েক দিন পরই তাকে ভিন্ন দেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হলো।

গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, যুবরাজের নির্দেশে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে। গত বছর যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের ক্ষমতার কেন্দ্রে আসার পর থেকে রোষানলে পড়েন ৫৯ বছর বয়সী খাশোগি। তিনি দেশ ছেড়ে স্বেচ্ছা নির্বাসনে আমেরিকায় চলে যান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট-এ যুবরাজের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে একের পর এক কলাম লিখেছিলেন খাশোগি।

ঘটনার ১৭ দিন পর গত শনিবার কনস্যুলেট ভবনের ভেতরই সাংবাদিক জামাল খাশোগি নিহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে সৌদি আরব।

এর আগ পর্যন্ত দেশটি বলে আসছিল, খাশোগি কাজ শেষে কনস্যুলেট থেকে বেরিয়ে গেছে এবং তার নিখোঁজের ব্যাপারে তারা কিছু জানে না। কিন্তু ক্রমাগত আন্তর্জাতিক চাপের মুখে খাশোগির পরিণতির বিষয়ে মুখ খোলে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট