গম্ভীর টসে হেরে যাওয়াকে সৌভাগ্য বললেন

গম্ভীর টসে হেরে যাওয়াকে সৌভাগ্য বললেন

বৃষ্টির কারণে ম্যাচ পরিণত হলো কার্টেল ওভারে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে ৯ ওভারে মাত্র ৬৬ রানের লক্ষ্য বেধে দিলেন ম্যাচ রেফারি চিন্ময় শর্মা। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে কেকেআরকে ৯ ওভার খেলতে হলো না। মাত্র ৫ ওভারেই কিং খানের দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিলেন ইউসুফ পাঠান।

৬৬ রানের সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই কিন্তু বিপদে পড়েছিল কেকেআর। মাত্র ৮ রানের মাথায় হারিয়ে ফেলে দুই ওপেনার রবিন উথাপ্পা এবং গৌতম গম্ভীরের উইকেট। এরপর মাঠে নামেন মানিষ পাণ্ডে এবং ইউসুফ পাঠান।

অবশেষে এই দু’জনের ব্যাটে যেন ঝড় উঠলো। ১০ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকলেন মানিষ পাণ্ডে। ১৮ বলে ৪টি বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কায় ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন ইউসুফ পাঠান। এর মধ্যে আবার ১০ রানই অতিরিক্ত দিয়েছে পুনের বোলাররা।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বৃষ্টির আগ পর্যন্ত কেকেআর বোলারদের তোপের মুখে ১৭.৪ ওভারে মাত্র ১০৩ রান তুলতে সক্ষম হয় পুনে। সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন জর্জ বেইলি। ২১ রান করেন উসমান খাজা। সাকিব আল হাসান ৩ ওভারে ১৩ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। ২ উইকেট নেন পিযুস চাওলা।

এই হারের ফলে এবারের আইপিএল থেকে সবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেলো নতুন দল, মহেন্দ্র সিং ধোনির পুনে সুপার জায়ান্টসের।  ১২ ম্যাচে তাদের অর্জন ৬ পয়েন্ট। শেষ দুটি ম্যাচ জিতলেও হবে ১০ পয়েন্ট। তাতেও কোন লাভ হবে না তাদের। অপরদিকে পুনেকে হারিয়ে ১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো কেকেআর।

ম্যাচ শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে কলকাতার অধিনায়ক গম্ভীর জানালেন, দলের জয়ে সবারই অবদান রয়েছে কিন্তু সে টসে হেরে গিয়েছিল বলেই এরকম একটি ম্যাচ সম্ভব হয়েছে। তার কাছে ব্যাট করতে চাওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি জানান পিচ দেখতে ব্যাটিং সুলভ মনে হলেও তাতে বোলারদের জন্য অনেক কিছুই ছিল, বিশেষ করে স্পিনারদের জন্য; যা খালি চোখে বোঝা যায়নি।

আসলে টানা তিন ম্যাচে টসে হেরে আমি একটু হতাশ ছিলাম, কিন্তু এখন যা দেখছি তাতে বলতেই হবে টস হেরে যাওয়া আমার জন্য সৌভাগ্য ছিল। কেননা আমিও ব্যাটিং করতাম টসে জিতলে, আর সেই ক্ষেত্রে ফলাফলও ভিন্ন হতে পারত। পিচে একটু টার্ন ছিল, আর এটিই আমাদের কাজে লেগেছিল। বোলিং প্রথমে করেছি বলেই উইকেটের ধরনটাও ধরতে পেরেছি। কিন্তু খালি চোখে এটিকে ব্যাটিং স্বর্গই মনে হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট