গাজীপুর ও খুলনা সিটিতে ভোট ১৫ মে

গাজীপুর ও খুলনা সিটিতে ভোট ১৫ মে

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ মে এই দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে ইসির বিশেষ কমিশন সভা শেষে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ৫ সিটি করপোরেশনের মধ্যে খুলনা ও গাজীপুর সিটির ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে

তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ১২ এপ্রিল, যাচাই বাছাই ১৫ ও ১৬ এপ্রিল, প্রত্যাহার ২৩ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ ১৫ মে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ২০১৩ সালের ৬ জুলাই ও খুলনা সিতে ২০১৩ সালের ১৫ জুন ভোট হলেও সিটি প্রথম সভা সেপ্টেম্বরে হয়েছিল। সে হিসাবে মার্চ থেকেই ভোটের দিনক্ষণ শুরু হয়েছে। এ দুই সিটির ভোটের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৮ সালের ৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনানুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিন আগের সময়ে ভোটের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২ এপ্রিল থেকে ৪ মে সময় পর্যিন্ত এইচএসসি পরীক্ষা রয়েছে। ১৭ মে থেকে মাহে রমজান শুরু হচ্ছে। এ কারণে বাকি তিন সিটি করপোরেশনের ভোটও একদিনে করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ঈদের পরে সুবিধা জনক সময়ে ভোট করবে ইসি।

ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হবে ৪ সেপ্টেম্বর, সিলেটের ৮ অক্টোবর, খুলনার ২৫ সেপ্টেম্বর, রাজশাহীর ৫ অক্টোবর এবং বরিশালের ২৩ অক্টোবর। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী করপোরেশনের প্রথম বৈঠক থেকে ৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিন আগে যেকোনো সময় নির্বাচন করতে হবে।

গাজীপুর সিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। সেই হিসাবে আইন অনুযায়ী গাজীপুর সিটি ৮ মার্চ থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হয়েছে।

এছাড়া খুলনায় ২০১৩ সালের ১৫ জুন প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে হিসাবে এই সিটিতে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে ৩০ মার্চ। রাজশাহীতে প্রথম সভা হয় ২০১৩ সালের ৬ অক্টোবর। সে হিসাবে দিন গণনা শুরু হবে ৯ এপ্রিল। সিলেটে প্রথম সভা হয় ২০১৩ সালের ৯ অক্টোবর, সে হিসাবে দিন গণনা শুরু হবে ১১ এপ্রিল এবং বরিশাল সিটিতে প্রথম সভা হয় ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর, সে হিসাবে ২৭ এপ্রিল থেকে নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হবে।

সূত্র জানায়, গাজীপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সীমানা, ওয়ার্ড বিভক্তীকরণ, আদালতের আদেশ প্রতিপালন ও প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সর্বশেষ অবস্থাসহ মতামত জানাতে স্থানীয় সরকার বিভাগকে দুই দফায় চিঠি দিয়েছিল ইসি। ইসির চিঠির প্রেক্ষিতে মাঠপর্যায়ে খোঁজ নেয়ার পর এই পাঁচ সিটি নির্বাচনে কোনো জটিলতা পাওয়া যায়নি বলে ইসিকে জানায় মন্ত্রণালয়।

২০১৩ সালের ১৫ জুন একই দিন সিলেট, খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল এবং একই বছরের ৬ জুলাই গাজীপুর সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট