গার্লফ্রেন্ডকে বাড়িতে মেনে নিচ্ছে না? কখনই প্রতিবেদনটি এড়িয়ে যাবেন না

গার্লফ্রেন্ডকে বাড়িতে মেনে নিচ্ছে না? কখনই প্রতিবেদনটি এড়িয়ে যাবেন না

আপনাদের মধ্যে প্রেম রয়েছে ষোলোআনা৷ ঝগড়া হয় পারতপক্ষে৷ ভালোবাসার কোনও কমতি নেই৷ কিন্তু বিয়ে করতে গেলেই বিপদ৷ বাড়িতে রাজি হচ্ছে না৷ হয় এপক্ষ থেকে গোলমাল, নয়তো ওই পক্ষ থেকে৷ কিছুতেই বাড়ির মত পাওয়া যাচ্ছে না৷

আবার বাবা মায়ের অমতে বিয়েও করা যাচ্ছে না৷ এমন সমস্যায় হয়তো অনেকেই পড়েছেন৷ কেউ কেউ চেষ্টার পর চেষ্টা করে বাবা মায়ের মত নিয়ে নিয়েছেন৷ কিন্তু কেউ এখনও চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছেন৷ তাদের জন্য রইল কিছু টিপস৷

১) এমন ক্ষেত্রে সবার আগে দরকার মাকে সপক্ষে আনা৷ তার সবথেকে ভালো রাস্তা আলোচনা৷ এমন অবস্থায় যদি আপনি মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করেন, পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যেতে পারে৷ তাই মাথা ঠান্ডা রাখুন৷ যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করুন৷ দরকার পড়লে আবেগেরও প্রয়োগ করতে পারেন৷ তবে তারও আগে তাদের বক্তব্য শুনুন মন দিয়ে৷ তারপর ধীরে ধীরে এগোন৷

২) বোঝার চেষ্টা করুন সবথেকে বেশি কোন বিষয়টা আপনার বাবা মাকে ভাবাচ্ছে৷ অনেকসময় মেয়েরা চাকরি করলে বাবা মায়ের ভাবনা হয়৷ তারা মনে করে সে হয়তো বাড়িতে ঠিকমতো সময় দিতে পারবে না৷ এমন হলে তাঁদের বোঝান৷ আবার এও দেখা গিয়েছে, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড চিন্তার বিষয়৷ কোনও উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারের বধূ হতে গেলেই সমস্যা৷ মধ্যবিত্ত পরিবারের মনে স্বভাবতই আশঙ্কা কাজ করে৷ এমন হলে আপনাকে বোঝাতে হবে, এটা কোনও সমস্যাই নয়৷

৩) বাবা মায়ের মন জয় করার সবথেকে বড় অস্ত্র তাঁদের মতের বিরুদ্ধে যাবেন না৷ যখন হাজার বুঝিয়েও দেখছেন, কাজ হচ্ছে না, সরাসরি বলে দিন আপনি তাঁদের মতের বিরুদ্ধে বিয়ে করবেন না৷ তাতে যাই হয়ে যাক৷ দেখবেন, বরফ এতে গলবেই৷ এমন অনেকে আশঙ্কা করে, বিয়ের পর ছেলে স্ত্রৈন হয়ে যাবে৷ এমনটা যে নয়, তা এই একটা কথাতেই তাঁরা বুঝে যাবেন৷

৪) বোঝানোর জন্য উদাহরণ সবচেয়ে ভালো৷ দরকার পড়লে উদাহরণ টানুন৷ দেখান, বাস্তব অনেক আলাদা৷

৫) বিবাহিত বন্ধুদের সঙ্গে মাকে আলাপ করান৷ তাহলে তিনি বুঝতে পারবেন, আদতে তিনি যা ভাবছেন, তা ভুল৷ এক্ষেত্রে আপনি নিজে কিন্তু কিছু বলবেন না৷ উনি নিজেই বুঝবেন৷ শুধু ওনাকে সময় দিন৷

৬) বান্ধবীকে মায়ের সঙ্গে পরিচয় করান৷ প্রয়োজনে তাঁকে বলুন মায়ের সঙ্গে শপিংয়ে যেতে৷ রেস্তোরাঁয় যেতে৷ যেভাবে হোক মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে৷ তাহলেই আপনার মায়ের ভয় কেটে যাবে৷

৭) ফ্যামিলি লাঞ্চের প্ল্যান করুন৷ এতে দুজনের পরিবার কাছাকাছি আসতে পারবে৷ আপনাদের রাস্তাও পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা৷

৮) ছেলের বিয়ের সময় বাবা মায়ের মনে একটা ভয় থাকেই৷ ছেলে ঠিক মেয়েকে পছন্দ করছে তো? পরে কোনও সমস্যা হবে না তো? এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় অপেক্ষা করুন৷ মায়ের ভয় তো থাকবেই৷ কিন্তু তিনি যখন নিজের চোখে দেখবেন, কোনও সমস্যা হচ্ছে না, তিনি নিজেই মত দিয়ে দেবেন৷

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট