গুজরাটের বিপক্ষে দিল্লীর সহজ জয়

গুজরাটের বিপক্ষে দিল্লীর সহজ জয়

ঘরের মাঠে গুজরাতকে ৮ উইকেটে পরাস্ত করল দিল্লি ডেয়ারডেভিলস। ১৬ বল বাকি থাকতেই আসে কাঙ্খিত জয়। তবে গুজরাত অধিনায়ক সুরেশ রায়না এই ম্যাচ হেরে একেবারেই ভেঙে পড়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, “এই পরাজয় খুবই হতাশাজনক। প্রথম ৬ ওভারে আমরা ভালো ব্যাট করতে পারে নি। আমার মনে হয়, এর মূল্য পরাজয়ের মাধ্যমেই আমাদের চোকাতে হয়েছে।”

টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন জহির খান। ম্যাচের শুরুতেই তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, “গুজরাত খুব ভালো খেলছে, একথা অনস্বীকার্য। তবে আমরাও চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।” বর্তমানে দিল্লি যেভাবে খেলছে, তাতে আত্মবিশ্বাস যে কোন পর্যায়ে যেতে পারে তা অধিনায়কের কথা শুনেই বোঝা যায়।

শুরু হল গুজরাতের ব্যাটিং। শুরুতেই ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের (১) উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে যায় দল। জহির খানের বলে বোল্ড হয়ে যান। পরের ওভারেই ফিরে যান ডোয়েন স্মিথ (১৫) এবং অ্যারন ফিঞ্চ (৫)। দলের অবস্থা একেবারেই প্রতিকূল হয়ে যায়। হাল ধরেন দীনেশ কার্তিক এবং অধিনায়ক সুরেশ রায়না। ১১ ওভারের মাথায় ফেরেন রায়না (২৪)। দলের স্কোর তখন ৭৫-৪। জাদেজাকে সঙ্গী করে এগিয়ে যান কার্তিক। ১৭.২ ওভারে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। এরপর সামির বলে বোল্ড হয়ে ৫৩ রানে ফেরেন তিনি। ফকনার (৭) এবং ইশান কিষান (২) এলেও সেভাবে কিছু করতে পারেননি। নির্ধারিত ওভারে গুজরাত লায়ন্সের স্কোর দাঁড়ায় ১৪৯-৭।

টার্গেট ছিল ১৫০ রানের। লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে শুরুটাও জমাটি হয় দিল্লির। প্রথম পাঁচ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়েই ৫০ রান তুলে ফেলেন কুইন্টন ডি কক এবং ঋষভ পান্থ। ১০ ওভারে ৯৩। ততক্ষণে হাফসেঞ্চুরি করে ফেলেছেন ঋষভ। ১৩.৩ ওভারে ব্যক্তিগত ৬৯ রান করে ফিরে যান তিনি। পরের ওভারেই ফিরে যান কুইন্টন ডি কক (৪৬)। ওপেনিং জুটিতে দিল্লি সংগ্রহ করে ১১৫ রান। তৈরি হয় আবার একটা নতুন জুটি। স্যামসন (১৯) এবং দুমিনি (১৩)। খুব বেশি আর এই জুটিকে কষ্ট করতে হয়নি। ১৭.২ ওভারেই ম্যাচ নিজেদের পকেটে পুরে নেয় দিল্লি। গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পায় ৮ উইকেটে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট