চমক ছড়ালেন লাক্স তারকা রাখি!

চমক ছড়ালেন লাক্স তারকা রাখি!

আমরা পাশের ফ্ল্যাটে নতুন এসেছি, শুনলাম চাবিটা আপনাদের কাছে। পাখিটাকে ছাদে নিয়ে যাবো।’ কিংবা ‘কী পাখি? ময়না, ক্লাস টুতে পড়ে।’ মনে আছে সিলন চায়ের জনপ্রিয় এই বিজ্ঞাপনের কথা? যেখানে মডেল হয়ে মাত করেছিলেন লাক্স তারকা রাখি মাহবুব। সিলনের ওই বিজ্ঞাপন যেভাবে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিল, ঠিক সেভাবে আবারও সামনে আসলেন রাখি।

দীর্ঘদিন পর সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে এই তরুণীকে পাওয়া গেল অভিনবভাবে। দীর্ঘদিন পর এবার রাখিকে পাওয়া গেল স্পাইডারম্যানের কোলে! হ্যাঁ সত্যি!! মারভেল স্টুডিওর সুপারম্যান বলতে যদি কিছু থাকে তাহলে তো ঘটনাকে সত্যিই বলতে হয়।

অভিনয়ে ক্যারিয়ার যখন তুঙ্গে, তখনই বাবাকে হারান রাখি। মেয়ে বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করবে। ২০১৩ সালের জুলাইয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে, উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়েন রাখি। ভর্তি হন অস্ট্রেলিয়ার পার্থের কাওয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইসিইউ) ব্যাচেলর অব টেকনোলজি (ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কম্পিউটার সিস্টেম) বিভাগে।

এভাবেই অন্তরালে চলে যান রাখি। পড়াশুনাপর্ব শেষ করে চাকরি জীবনেও পা রেখেছেন লাক্স সুন্দরী রাখি। ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন বেসরকারি সংস্থা ‘উড’-এ। এখনো সেখানেই কাজ করছেন তিনি। এছাড়াও রাখি এখন ভিডিও নিয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছেন।

গতকাল ছিল রাখি মাহবুবের জন্মদিন। নিজের জন্মদিনে নিউ ইয়র্ক এসেছিলেন নন্দিত এই লাক্স তারকা। হ্যাপি বার্থ ডে লিখে টাইম স্কয়ারের সামনে থেকে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানেরই একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে স্পাইডারম্যানের কোলে রাখি। আরো অনেকগুলো ছবি তিনি পোস্ট করেছেন। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে তিনি গলায় অজগর জড়িয়ে রয়েছেন। দেখলেই ভয় পেয়ে যাওয়ার কথা।

আসলে টাইম স্কয়ারের সামনে বিনোদনের নানা জিনিস ঘুরে বেড়ায়। এই স্পাইডারম্যান কিংবা অজগর সেই বিনোদিত করারই উপকরণ। অর্থের বিনিময়ে কিছু মানুষ দর্শনার্থীদের বিনোদিত করে থাকেন।

২০১০ সালের লাক্স সুপারস্টার বিজয়ী রাখি। অভিনয়, উপস্থাপনা, মডেলিং- সবক্ষেত্রেই দারুণভাবে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। দু’ গালে আদুরে টোল, হাসিমাখা ঠোঁট, লম্বা-পাতলা শরীর, ন্যাচারাল স্ক্রিন অ্যাপিয়ারেন্স- সবমিলিয়ে শোবিজে নিজের পোক্ত অবস্থান তৈরি করেছিলেন।

অভিনয় শুরু করেন বিপাশা হায়াতের রচনা ও তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ‘বিস্ময়’ নাটক দিয়ে। অল্পদিনের মধ্যেই মেধাবীর খেতাব পায় নির্মাতা ও সহশিল্পীদের কাছ থেকে। ২০১০-১৩ মাত্র তিন বছর রাখি দাপিয়ে কাজ করেছেন ক্যামেরার সামনে।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট