ছেলে-মেয়েদের স্মার্টফোন নেশা দূরকরার উপায়

ছেলে-মেয়েদের স্মার্টফোন নেশা দূরকরার উপায়

যখন দেখেন, তখনই হাতে মোবাইন। কখনও গান শুনছে, কখনও মোবাইল গেম খেলছে, তো কখনও বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট করতে ব্যস্ত। আজকালকার টিনেজারদের অবস্থা এমনটাই। ছোটো থেকেই হাতে মোবাইল পেয়ে যাচ্ছে বাচ্চা। টিনেজ, অর্থাৎ জীবনের এই বয়ঃসন্ধিকালে মন উড়ু উড়ু করতে থাকে। তবে মোবাইল নিয়ে আজকালকার ছেলেপুলের এমন বাড়বাড়ন্ত, যে এক মুহূর্তও মোবাইল ছাড়া চলতে পারে না। বিশেষ করে সোশাল মিডিয়ার কারণে মোবাইলের প্রতি টান যেন আরও বাড়ছে এই বয়সি ছেলেমেয়ের।

স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব :

১) সারাক্ষণ মোবাইলটা নিয়ে খুটুরখুটুর করতে থাকলে, বাচ্চাদের মনোসংযোগ নষ্ট হয়ে যায়। পড়াশোনার প্রতি অনীহা দেখা দেয়।

২) মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। বিশেষ করে মা বা বাবা যদি বেশি বকাঝকা করেন।

৩) মাথার মধ্যে অন্যান্য বিষয় ঘুরপাক খেতে থাকে। যা মানসিক দুশ্চিন্তার রূপ নিতে পারে।

৪) অনিদ্রা। স্মার্টফোনের ব্যবহারে কারণে বাচ্চাদের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক সমস্যা এটি। রাতে ঘুমাতে গিয়ে ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট চলতে থাকে। এই অভ্যাস ভয়ানক রূপ নিতে পারে।

৫) দৈনন্দিন জীবনযাপনেও বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সময়ের মধ্যে নিজের কাজ সেরে ফেলা তখন মুশকিল হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই বাচ্চারা পিছিয়ে পড়তে শুরু করে সবদিক থেকে।

৬) সব বিষয়ে প্রতি অনীহা দেখা দেয়। কারণ, বাচ্চারা ফোনের সঙ্গে এতটা সময় কাটায়, যে তার আশপাশে কী ঘটছে, সে নিয়ে তাদের কোনও মাথা ব্যথা থাকে না।

৭) স্মার্টফোন হাতে পাওয়া মানেই, গোটা দুনিয়াটা নিজের মুঠোয়। এর ভালো দিকও যেমন আছে, তেমনই খারাপ দিকও আছে। বাচ্চাদের অগ্রগতিও যেমন হতে পারে, তেমনই অবনতিও হতে পারে। তাই বাচ্চাদের লাগামছাড়া স্বাধীনতা না দিয়ে, কিছু বিধিনিষেধ রাখা প্রয়োজন।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট