ছোটদের পড়ার ঘরটা রূপকথার মতো হোক

ছোটদের পড়ার ঘরটা রূপকথার মতো হোক

ছোটরা একদিন বড় হয়ে যায়। ছোটরা তো সব সময় ছোট থাকে না। ছোটরা যতদিন ছোট থাকে, ততদিন তারা নিজেদের রুপকথার দেশের কেউ মনে করে আনন্দ পায়। চারপাশের সবকিছু রঙিন দেখলে সে ঝলমলিয়ে ওঠে। তাই তাদের শোবার ঘর আর পড়ার ঘরে যেন শৈশবের রঙ লেগে থাকে, সে ব্যাপারে মনোযোগী হতে হয় বড়দেরকেই।

ছোট শিশুর ঘরটিকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য রয়েছে ছোটদের জন্য অনেক সুন্দর আসবাবপত্র। বক্স খাট, ডবলডেকার খাট, গাড়ি খাট, কার্টুন আঁকা পড়ার টেবিল, কার্টুন সোফা, পেনসিল আলনা, দোলনা, রকিং চেয়ারসহ আরও বৈচিত্র্যময় আসবাবপত্রের সমাহার রয়েছে দোকানগুলোতে। সেখান থেকে তার মনের মতো আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো যেতে পারে ঘরটি।

ছোট শিশুরা খেলতে ভালোবাসে। আর খেলার উপকরণের মধ্যে তাদের অন্যতম পছন্দের জিনিস হলো পুতুল। তাই ছোট সোনামণির ঘরটিতে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক বা কাপড়ের পুতুল, টেডিবিয়ার, বর্বিডল অথবা জনপ্রিয় কোনো কার্টুন চরিত্রের বড় বড় পাপেট রাখলে সহজেই ঘরটি তার কাছে এক আনন্দময় জগৎ হয়ে উঠবে। আর শিশুরা সৃজনশীল, তাই এর বিকাশ ঘটানোর জন্য বুকশেলফ, হারমোনিয়াম, গিটার, তবলা অথবা ছবি আঁকার যেকোনো সরঞ্জাম দিয়ে সাজানো যেতে পারে ঘরটি। আর আপনার ছোট সোনামণি যদি প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে থাকে, তাহলে তার ঘরে রাখতে পারেন তার পছন্দের কিছু মাছ, মাছের অ্যাকুরিয়অম, না হলে প্রিয় পোষা পাখি।

আরেকটি বিষয় হলো, শিশুরা খুব স্পর্শকাতর হয়ে থাকে। ছোটবেলায় তারা যা দেখে তাই তাদের মনের গহিনে থাকে। তাই আপনার ছোট সোনামণির ঘরের দেয়ালে বিভিন্ন মনীষীর প্রতিকৃতি এবং তাদের কথাসংবলিত পোস্টার রাখলে সহজেই সে কথাগুলো তাদের মনের ভেতর স্থান করে নেবে। ছোটদের ঘরটি অবশ্যই বর্ণিল রঙে রাঙাতে হবে। ছোটদের ঘর অবশ্যই উজ্জ্বল রঙের এবং খোলামেলা হতে হবে। ছেলেশিশু হলে নীল এবং মেয়েশিশু হরে গোলাপি বা সফঠ যেকোনো রং ব্যবহার করা যেতে পারে। ছোটদের ঘরের দেয়ালের যেকোনো একদিকে কার্টুন ছবির বা রূপকথার কাহিনীর ওয়ার পেইন্টিং করা হলে তা ঘরটির সম্পূর্ণ চেহারাই পাল্টে দেয় এবং ঘরটিকে দেয় এক অন্য রকম নান্দনিকতার ছোঁয়া, যা সহজেই অন্যান্য ঘর থেকে ছোটদের ঘরটিকে আলাদা করে। ওয়াল পেইন্টিংয়ের সঙ্গে মিল রেখে কার্টুন আঁকা বেডকভার ও পর্দা ব্যবহার করলে তা ঘরকে শিশুর কাছে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট