আপনার শিশুকে ছোট থেকেই সত্যি বলতে শেখান

আপনার শিশুকে ছোট থেকেই সত্যি বলতে শেখান

শিশু প্রথম শিক্ষা পায় বাড়ি থেকে। অভিভাবকদের দেখেই সে সবকিছু শেখে। শিশুর মধ্যে ন্যায়নীতি, সততা, মূল্যবোধের বিকাশ ঘটান মা-বাবাই।

শিশু চারাগাছের মতো। সেই চারাগাছের মালি মা-বাবা। একজন মালি যেমন চারাগাছের পরিচর্যা করেন, গাছে নিয়মিত জল দিয়ে সেটিকে বড় করে তোলেন, পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করেন – ঠিক তেমনই সন্তানের পরিচর্যা করেন মা-বাবা। ভালো ব্যবহারের সঙ্গে সৎ হওয়ার ট্রেনিংও দেন তাঁরাই। “সদা সত্য কথা বলিবে”-এর পাঠও পড়ান।

বাড়ির পরিবেশ সবসময় সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন। সন্তানের সামনে কখনও মিথ্যে বলবেন না। মা-বাবাকে মিথ্যে বলতে দেখলে সন্তানও মিথ্যে বলতে শিখবে।

সৎ চরিত্রের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য সত্যি কথা বলা। যে ব্যক্তি মিথ্যে বলেন, তাঁকে কেউ বিশ্বাস করে না। বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে গেলে সত্যি কথা বলাই শ্রেয়। ছেলেবেলা থেকে সেই পাঠ দেওয়ার নিয়ম। যে শিশু ছোট থেকে মিথ্যে বলে অভ্যস্ত, সে বড় হয়েও মিথ্যেবাদী থেকে যায়। রাখালের গল্পের মতো।

তাই সন্তান সত্যি বলছে কি না, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। যদি দেখেন, সন্তান মিথ্যে বলছে, তাকে তখুনি সংশোধন করুন। বকাবকি একেবারেই করবেন না। গায়ে হাতও তুলবেন না। না হলে নিজেকে বাঁচানোর জন্য আরও মিথ্যের আশ্রয় নেবে আপনার সন্তান। সেই অভ্যেস আজীবন থেকে যাবে। সন্তানের সত্যি কথা বলাকে সম্মান দিতে শিখুন।

সন্তান সত্যি বলে দোষ স্বীকার করে নিলে, তাকে কোনও কঠিন শাস্তি দেবেন না। …বরং সত্যি স্বীকার করার জন্য বাহবা দিন। আপনার সন্তান জীবনেও মিথ্যের আশ্রয় নেবে না।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট