জাপান সাগরে অনুষ্ঠিত হলো রাশিয়ার বৃহত্তম সামরিক মহড়া

জাপান সাগরে অনুষ্ঠিত হলো রাশিয়ার বৃহত্তম সামরিক মহড়া

শনিবার দূরপ্রাচ্যের ‘প্রিমোরি’ অঞ্চলে রাশিয়ার নৌসেনারা হেলিকপ্টারের ছত্রছায়ায় ‘ক্লের্ক’ উপত্যকার একটি সমূদ্র সৈকত দখলের মহড়া চালায়।

রাশিয়ার এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শনিবার জাপান সাগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্কে যখন উত্তেজনা বাড়ছে তখন এ মহড়া চালানো হচ্ছে।

গতকাল (শনিবার) রাশিয়ার সেনারা জাপান সাগরে ‘ভোস্তোক-১৮’ নামের মহড়ায় অংশ নেয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলে এ মহড়া শুরু হয়েছিল এবং তা আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, এই বিশাল মহড়ায় প্রায় তিন লাখ সৈন্য, ৩৬ হাজার সাঁজোয়া যান, এক হাজার যুদ্ধবিমান ও ৮০টি যুদ্ধজাহাজ অংশ নিচ্ছে। শীতল যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এটি রাশিয়ার সর্ববৃহৎ সামরিক মহড়া বলেও জানান শোইগু।

এই মহড়ার একটি অংশ পূর্ব সাইবেরিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরের দূরপ্রাচ্য অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সেখানে চীনা সৈন্যরাও মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। শনিবার দূরপ্রাচ্যের ‘প্রিমোরি’ অঞ্চলে রাশিয়ার নৌসেনারা হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমানের ছত্রছায়ায় ‘ক্লের্ক’ উপত্যকার একটি সমূদ্র সৈকত দখলের মহড়া চালায়।

রুশ সেনাবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা  জেনারেল দিমিত্রি কোভালেঙ্কো বলেছেন, এই মহড়ার অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সব ধরনের যুদ্ধাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের সমন্বয়ে এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এ মহড়ার একটি অংশ পরিদর্শনকালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়া ও তার মিত্রদের রক্ষা করার জন্য রুশ সেনাবাহিনীকে আধুনিকতম যুদ্ধ উপকরণে সজ্জিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।  তিনি বলেন, ‘ভোস্তোক-২০‌১‌৮’ মহড়া প্রমাণ করছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনী যেকোনো আগ্রাসন প্রতিহত করার ক্ষমতা রাখে।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট