টিকে থাকতে ইংলিশদের দরকার ২৮৬ রান

টিকে থাকতে ইংলিশদের দরকার ২৮৬ রান

অ্যারন ফিঞ্চের সেঞ্চুরি ও ডেভিড ওয়ার্নারের ফিফটিতে পাহাড় স্কোরের আভাস দিচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে সম্মিলিত বোলিংয়ে ইংল্যান্ড ম্যাচে ফেরে দারুণভাবে। অস্ট্রেলিয়ার রান তোলার গতিতে লাগাম টেনে লক্ষ্যটাকে নিজেদের নাগালেই রেখেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।

মঙ্গলবার ক্রিকেটের মক্কা খ্যাত লর্ডসে মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।

টস হেরে আগে ৭ উইকেটে ২৮৫ রানে থামতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। আসরে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া অ্যারন ফিঞ্চ ১০০ রান করেন। ওয়ার্নার খেলেছেন ৫৩ রানের ইনিংস। এ ছাড়া স্টিভ স্মিথ ৩৮ ও অ্যালেক্স ক্যারি অপরাজিত ৩৮ রান করেন।

ইংলিশদের পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট নিয়েছেন ক্রিস উকস। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন জফরা আর্চার, মার্ক উড, বেন স্টোকস ও মইন আলি।

এদিন স্বাগতিক বোলারদের হতাশায় ডুবিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে ১২৩ রান যোগ করে ওয়ার্নার ও ফিঞ্চ জুটি। দুজনেই ফিফটি তুলে নেন। ২৩তম ওভারে ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন মইন আলি।

ওয়ার্নার ৬১ বলে ৬ চারে ৫৩ রান করেছেন। এদিনের ইনিংসে সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলে ফের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে উঠে গেছেন ওয়ার্নার।

দ্বিতীয় উইকেটে ফিঞ্চ ও খাজা জুটি যোগ করে ৫০ রান। ২৯ বলে ২৩ রান করে খাজা ফিরে যান। বেন স্টোকসের বলে বোল্ড হন তিনি।

এর পরপরই সেঞ্চুরি তুলে নেন ফিঞ্চ। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি। আর্চারের শিকার হওয়ার আগে ১১৬ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় ১০০ রানের ইনিংসটি সাজান তিনি। সাকিবকে তিনে ঠেলে আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ফিঞ্চ উঠে গেছেন দ্বিতীয় স্থানে।

অস্ট্রেলিয়ার স্কোরটা তখনো তিন শ ছাড়াবে বলেই মতে হচ্ছিল। কিন্তু গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১২), মার্কাস স্টয়নিসকে (৮) দ্রুত ফেরাতে সক্ষম হয় ইংলিশরা। তাতেই অজিদের রান তোলার গতি কমে যায়। ৪৬তম ওভারে স্মিথ ফিরে যান। অ্যালেক্স ক্যারি এরপর টেনেছেন দলকে।

এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ হারে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ১০। টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এ ম্যাচে জয় পেলে সেমির পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে তারা। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হারে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৮। তাদের সেমিফাইনালে খেলার পথটা অবশ্য সহজ নয়। এ ম্যাচে হারালে জটিল সমীকরণের মধ্যে পরতে হতে তাদের।

এদিকে বিশ্বকাপে ১৯৯২ সালের পর আর অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারেনি ইংল্যান্ড। সেবার ফাইনালে ওঠার পথে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছিল ইংলিশরা। এরপর ২০০৩, ২০০৭ ও ২০১৫ আসরে অজিদের কাছে হেরেছে ইংল্যান্ড।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ