‘টেকসই রাজনীতির জন্য দেশ জঙ্গি-রাজাকারমুক্ত করতে হবে’

‘টেকসই রাজনীতির জন্য দেশ জঙ্গি-রাজাকারমুক্ত করতে হবে’

বাংলাদেশের অগ্রগতি ধরে রাখতে টেকসই রাজনীতি ও অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। তিনি বলেছেন, টেকসই রাজনীতির জন্য দেশ জঙ্গি-রাজাকারমুক্ত করতে হবে। আর টেকসই অর্থনীতির প্রয়োজন অন্তর্ভূক্তিমূলক অর্থনীতি।

মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) কার্যালয়ে ইআরএফ আয়োজিত ডিরেক্টরি প্রকাশনা, ওয়েবসাইট উদ্বোধন ও লেখক সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি ও একুশে টেলিভিশনের পরিকল্পনা সম্পাদক সাইফ ইসলাম দিলাল।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, একাত্তরে সঠিক নেতৃত্ব ও ভরসায় দেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে জঙ্গি, রাজাকার ও পাকিস্তানপন্থীদের সঙ্গে সহাবস্থানের রাজনীতির সুযোগ ঘটে। এতে সংবিধানের মূলনীতি বিচ্যুত হয়। ওই সময়টাতে প্রবৃদ্ধি হয়নি অন্যদিকে দারিদ্রও কমেনি।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ৭২এর সংবিধানের মূলনীতিতে ফিরে আসার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। দেশের অর্থনীতির অগ্রগতি হয়েছে। একদিকে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে অন্যদিকে কমছে দারিদ্র। তলাবিহীন ঝুড়ির খেতাব পাওয়া রাষ্ট্র এখন নিজের টাকায় পদ্মাসেতু তৈরি করছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকের সংখ্যা নিয়ে সমালোচনা থাকলেও এই খাত সঠিক পথেই আছে। এর শাখার সংখ্যাও বাড়ছে। বহুমানুষ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারছে। এটিই অন্তর্ভূক্তিমূলক  অর্থনীতি।

অনুষ্ঠানে ইআরএফের ওয়েবসাইট ও ডিরেক্টরির উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী। এছাড়া ইআরএফের ১৬ জন লেখক সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। তাদেরকে তথ্যমন্ত্রী উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।

সম্মাননা পেয়েছেন আবু আলী, শামসুল আলম বেলাল, আসজাদুল কিবরিয়া, জীবন ইসলাম, জিয়াউল হক সবুজ, দেলোয়ার হাসান, রেজাউল করিম, রাজু আহমেদ, মীর লুৎফুল কবীর সাদী, জামাল উদ্দিন, সাজ্জাদ আলম খান, হামিদ সরকার, জিয়াউর রহমান, কাওসার রহমান, কামরুল ইসলাম চৌধুরী ও মাসুদুর রহমান খলিলী।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট