ট্রাম্পের সুর বদল, উ. কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল

ট্রাম্পের সুর বদল, উ. কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল

পারমাণবিক অস্ত্রের কারণে উত্তর কোরিয়া এখনও ‘বিশেষ হুমকি’ বলে মন্তব্য করে দেশটির উপর চলমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও এক বছর বৃদ্ধি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যৌথ সামরিক মহড়াসহ মোট ‍দুটি যৌথ কর্মসূচি বাতিলের পর এই ঘোষণা আসলো। এই সিদ্ধান্তে বেশ অবাক হয়েছেন বিশ্লেষকরা। যৌথ সামরিক মহড়ার ভিতর দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এমনটি ভাবা হচ্ছিলো।

শুক্রবার তথাকথিত ‘জাতীয় জরুরি’ অবস্থার কারণ দেখিয়ে এক নির্বাহী আদেশে পারমাণবিক অস্ত্র সমৃদ্ধ দেশটির উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার সময় ১ বছর বৃদ্ধি করেছেন তিনি।

ওই আদেশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ও গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিস্তারের ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক নীতি এবং অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়া নিয়ে ট্রাম্পের এই ‘ডিগবাজি’ সিদ্ধান্তের কারণে কোরিয় উপদ্বীপকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের যে দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টা, তা আবারও নতুন করে সমস্যায় পড়লো।

এর আগে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত উত্তর কোরিয়ান নেতা কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকের পরদিন পর ১৩ জুন এক টুইট বার্তায় তিনি জানান, ‘উত্তর কোরিয়া এখন আর পারমাণবিক হুমকি নয়।’

সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হযেছে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গেল যে উত্তর কোরিয়া নিয়ে নিজের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন ট্রাম্প। ২০০৮ সালের পর থেকে উত্তর কোরিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বেশ কঠিন সময় পার করতে হয়েছে।

এদিকে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক শেষ করার এক সপ্তাহের মাথায় ব্যক্তিগত তৃতীয় সফরে চীন যান উত্তরে প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঐতিহাসিক বৈঠকের পর এক সপ্তাহ না পেরোতেই দুই দিনের সফরে চীন গেছেন উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং-উন।

সেখানে প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। কোরিয়া উপদ্বীপকে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে কিমের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট