তৈরি করুন ফ্রুটি ভাপা পিঠা

তৈরি করুন ফ্রুটি ভাপা পিঠা

গ্রাম-বাংলায় শীতের সকালে পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। চুলার পাশে বসে গরম গরম ভাপা পিঠা খাওয়ার স্বাদই আলাদা। শহরে চুলার পাশে বসে পিঠা খাওয়ার এই স্বাদ না পাওয়া গেলেও বিকেলে গরম গরম পিঠা তো অন্তত খাওয়া যায়।

ভাপা পিঠা হরেক রকমের হয়ে থাকে। কেউ এ পিঠা তৈরি করে কেবল মিষ্টি দিয়ে কেউ বা আবার ঝাল দিয়ে। এ পিঠা নোনতাও হয়। রাজবাড়ী, ফরিদপুর সহ অনেক অঞ্চলে ভাপা পিঠায় ব্যবহার করা হয় গরম মশলা। তবে ফ্রুটি ভাপা পিঠা? হয়তো এই খাবারটি আপনাদের কারো খেয়ে দেখা হয় নি। একদম ভিন্ন স্বাদের এই ভাপা পিঠা তৈরি করতে চাইলে আসুন জেনে নেই সহজ রেসিপি।

উপকরণ

সিদ্ধ চালের গুঁড়ো ২ কাপ,

ভেঙে নেওয়া খেজুরের গুড় ১ কাপ

নারিকেল কোরানো ১ কাপ,

লবণ স্বাদমতো

কিসমিস, শুকনো চেরি ও নানান রকম বাদাম কুঁচি ইচ্ছামত

ভ্যানিলা বা লেমন ফ্লেভার সামান্য

n

প্রণালি-

১. চালের গুঁড়োতে লবণ মিশিয়ে হালকা করে পানি ছিটিয়ে ঝুরঝুরে করে মেখে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, যেন দলা না বাঁধে। সামান্য ভ্যানিলা বা লেমন ফ্লেভার মিশিয়ে মেখে নিন। এবার বাঁশের চালনিতে চেলে নিন সুন্দর করে।

২. ভাপা পিঠা বানানোর হাঁড়িতে পানি দিন। এবার মুখ ছিদ্র ঢাকনা বসিয়ে আটা দিয়ে আটকে দিন যাতে বাষ্প বের হতে না পারে। চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিন। পানি টগবগ করে ফুটলে তবেই পিঠা দেবেন।

৩. পাতলা সুতার দুই টুকরা কাপড় ও ছোট দুটি বাটি নিন আপনার পছন্দ মত।

৪. এবার বাটিতে প্রথমে চেরি ও কিসমিস সাজিয়ে দিন। তার ওপরে চালা চালের গুঁড়ো দিয়ে মাঝখানে গর্ত করে গুড় ও নারিকেল দিন। বাদাম দিতে চাইলে দিয়ে দিন। আবার চালের গুঁড়ো দিয়ে ঢেকে দিন।

৫. এবার এক টুকরা পাতলা সুতির কাপড় ভিজিয়ে পিঠার বাটি ঢেকে উল্টে মুখ ছিদ্র ঢাকনার ওপর পিঠা রেখে সাবধানে বাটি খুলে পিঠা ঢেকে দিন।

৬. সিদ্ধ হলে পিঠা উঠিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। আপনি চাইলে যে কোন শেপের ছাঁচে এই পিঠা তৈরি করতে পারেন। গুঁড়ি ভালো হলে পিঠা ভাঙবে না।

টিপস- 

ভাপা পিঠা সাজো গুঁড়ো দিয়ে বানালে ভালো হয়। এতে পিঠা অনেক বেশি মোলায়েম হয়। শুকনা গুঁড়ো দিয়ে বানালে অনেকক্ষণ আগে গুঁড়োতে পানি ছিটা দিয়ে রেখে পরে বাঁশের চালানিতে চেলে নেবেন।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট