‘দেশে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে’

‘দেশে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে’

দেশে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন ও ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। কিন্তু এক-এগারোর ন্যায় আবারও দেশকে ভয়ঙ্কর ও অস্থিতিশীল করার জন্য বিএনপি ও তার দোসররা উঠে পড়ে লেগেছে। তবে বাধা উপেক্ষা করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন যথা সময়ই অনুষ্ঠিত হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এক-এগারোর মতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টির চক্রান্তে বিএনপি ও তার দোসরদের সঙ্গে মিডিয়ার একটি অংশ আছে। এক-এগারোর সময়েও মিডিয়ার একটি অংশ সেই চেষ্টায় ছিল।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ খুশি শেখ হাসিনার উন্নয়নে। জনগণ খুশি আওয়ামী লীগে। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। সেখানে বিএনপি ও তার দোসররা হুমকি সৃষ্টি করছে।’

বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার যেভাবে নির্বাচনে যেতে যাচ্ছে শেষ পর্যন্ত যদি সেই ফরমেট থাকে তবে তারা নির্বাচনে যাবে না। তাহলে নির্বাচনে কী হতে যাচ্ছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সরকারের কোনো পদ্ধতি নেই। পদ্ধতিটা আমাদের সংবিধানে। সংবিধানেই নির্ধারণ করে দিয়েছে কীভাবে নির্বাচন হবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনার জন্য অর্পিত দায়িত্ব থাকবে নির্বাচন কমিশনের ওপর। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত করতে নির্বাচন কমিশন যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের জন্য ৯০ শতাংশ প্রস্তুতি শেষ করেছেন বলে ঘোষণা করেছেন। আর লেভেল প্লেয়িংটা কীভাবে হবে তাও কিন্তু নির্বাচন কমিশনেরও দায়িত্ব। সরকার কিছু করবে না।’

আগামী নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির কোনো অংশগ্রহণ থাকবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘যখন সুযোগ ছিল তখন তারা আসেনি। তখন (গত নির্বাচনে) তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদটি পর্যন্ত আমরা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। এখন তো তাদের সংসদে প্রতিনিধিত্বই নেই। সেখানে তাদের নেয়ার সুযোগই নেই।’

নির্বাচনকালীন সরকারে টেকনোক্র্যাট পদে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা আছে কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বুদ্ধিজীবী আছেন, পেশাজীবী আছেন। আরো অনেকেই আছেন। সেখানে একটি দল থেকে কেন নিতে হবে? আর সেই চিন্তা সরকারের নেই।’

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান প্রমুখ।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট