ধোঁয়া বা কীটনাশক দিয়ে এডিস মশা নিধন করা যাবে না: কলকাতা পৌরসভা

ধোঁয়া বা কীটনাশক দিয়ে এডিস মশা নিধন করা যাবে না: কলকাতা পৌরসভা

ধোঁয়া বা কীটনাশক দিয়ে ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশা নিধন করা যাবে না বলে জানিয়েছে কলকাতা পৌরসভা (মিউনিসিপাল করপোরেশন)।

সোমবার (৫ আগস্ট) দুপুরে কলকাতা মিউনিসিপাল করপোরেশনের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের আয়োজন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সেখানে কলকাতার বিশেষজ্ঞরা মশা নিধনে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলামকে ভিন্ন পন্থা অবলম্বনের পরামর্শ দেন।

আতিকুল ইসলামসহ পুরো সিটি করপোরেশনের প্রতি পরামর্শ দিয়ে কলকাতার ডেপুটি মেয়র বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলার ধাপ দুটি। এক- প্রিভেনটিভ (প্রতিরোধমূলক), দুই- কিউরেটিভ (প্রতিকারমূলক)। তবে সবচেয়ে বেশি কার্যকর এবং গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কলকাতা সিটি করপোরেশন উদ্যোগের উদাহরণ দিয়ে অতীন বলেন, এডিস মশার প্রজননস্থল আমরা খুঁজে বের করে ধ্বংস করে দেই। এর জন্য তৃণমূল পর্যায়ে ওয়ার্ড লেভেল, বোরো লেভেল বা জোন এবং সিটি করপোরেশনের কেন্দ্রীয় লেভেল- এই তিন স্তর থেকে মনিটরিং করা হয়।

ডেঙ্গু বিষয়ক তথ্য সংগ্রহের প্রতি জোর দিয়ে অতীন আরও বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি কী, সে বিষয়ে সঠিক ধারণা দরকার, আর তা নিতে হলে তথ্য দরকার। আমাদের ১৪৪টি ওয়ার্ডে একজন করে মোট ১৪৪ জন কর্মী আছেন, যাদের কাজই হচ্ছে প্রতিদিনের তথ্য নেওয়া। তারা হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর তথ্য নেন এবং তার বাসায় গিয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল খোঁজেন। পেয়ে গেলে সেটি ধ্বংস করা হয়। এভাবে কোথায় কোথায় ডেঙ্গুর প্রজননস্থল আছে তার একটা চিত্র পাই আমরা। আর সেভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হয়।

ভিডিও কনফারেন্সে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমিনুর রহমান মামুন, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মঞ্জুর হোসেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্র বড়ুয়া, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মহাপরিচালক খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে কলকাতা সিটি করপোরেশন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের সঙ্গে প্রধান ভেক্টর কন্ট্রোল কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মনিরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিষয়ক মুখ্য পরামর্শক তপন মুখার্জিসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট