নারী-পুরুষের শ্রেণীবিভাগ

নারী-পুরুষের শ্রেণীবিভাগ

আমরা অনেকেই জানি না যে, নারী-পুরুষেরও রয়েছে বিভিন্ন প্রকারভেদ। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের দিক বিবেচনা করে নারী ও পুরুষের এ শ্রেণীবিভাগ করা হয়েছে। লক্ষণভেদে নারীজাতি চার প্রকার। আর তা হল-পদ্মিনী, চিত্রিণী, শঙ্খিনী ও হস্তিনী।

পদ্মিনী নারীঃ পদ্মিনী নারীরা সুন্দর ও মোহনীয় হন। তারা সুন্দর চোখ, নারীসুলভ সরলতা, মধুর কন্ঠস্বর, মিষ্ট ভাষী, সুন্দর ব্যবহারের অধিকারী হন। তারা নমনীয়, ধর্মপরায়ণা, মৃদুভাষিণী, সদা হাস্যময়, স্বামীভক্ত হয়ে থাকেন। নারী জাতির মধ্যে এরাই সর্বোত্তম।

চিত্রিণীঃ এ ধরণের নারীদের চোখ হয় সুন্দর, এরা সহজেই সাধারণের মন জয় করতে পারে। এ ধরণের নারীরা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন, সত্যবাদিনী, স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত, সর্বদা ধার্মিক হয়। চিত্রিণী নারীরা উত্তম শ্রেনীর হয়ে থাকে।

শঙ্খিনীঃ এদের চোখ বাঁকা, লোম বড় বড়, গায়ের রং ফর্সা হয়ে থাকে। এরা ভীষণ অস্থির প্রকৃতির হয়। ধর্মে মন থাকে না এদের। পরপুরুষের প্রতি আসক্ত হয়, গুরুজনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকে না। এরা মধ্যম প্রকৃতির।

হস্তিনীঃ এদের শরীরে মেদ বেশি থাকে। এরা স্বার্থপর ও নির্লজ্জ হয়ে থাকেন। এ ধরণের নারীরা কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন। এরা পরপুরুষের প্রতি সর্বদা আকৃষ্ট থাকেন। ধর্মে এদের মন থাকে না। এরা নারী জাতির মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট।

পুরুষ জাতিও চার প্রকার যেমন- শশক(খরগোশ), মৃগ (হরিণ), অশ্ব (ঘোড়া) ও বৃষ (ষাঁড়)। এ চার প্রকার পুরুষের স্বভাব উল্লেখিত প্রাণীর স্বভাবের মতো হয়ে থাকে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট