পদ্মা সেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান

পদ্মা সেতুর প্রায় আড়াই কিলোমিটার দৃশ্যমান

মুন্সীগঞ্জ জেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মাসেতুর ১৬ ও ১৭ নম্বর খুঁটির ওপর বসেছে ‘৩-ডি’ নম্বরের ১৬তম স্প্যান। আর এতে দৃশ্যমান হলো সেতুর মূল অবকাঠামোর ২ হাজার ৪০০ মিটার। মঙ্গলবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে এ স্প্যানটি বসানো হয়।

ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল থেকে পদ্মানদী পাড়ি দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলে যাওয়ার এ স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেবে আর ২৬টি স্প্যান বসলেই। ১৫তম স্প্যান বসানোর ২৮ দিনের মাথায় ১৫ ও ১৬ নম্বর পিলারের ‘৩-সি’ স্প্যানের সঙ্গে বসেছে এই স্প্যানটি।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সেতুর ১৬ ও ১৭ নম্বর পিলারের ওপর সফলভাবে অস্থায়ী স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়েছে ২৪০০ মিটার। সেতুর ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ নম্বর পিলারের ৩-এ, ৩-বি, ৩-সি স্প্যানের সঙ্গে বসলো ৩-ডি স্প্যানটিও।

এর আগে সকাল ৯টা ৪৬ মিনিটের দিকে দিকে ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে বহন করে রওয়ানা করে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ভাসমান ক্রেন। সাড়ে ১০টার দিকে নির্ধারিত পিলারের সামনে এসে কার্যক্রম শুরু হয় স্প্যান বসানোর।

প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, আবহাওয়া আর ভাসমান ক্রেনটির অ্যাংকরিংসহ সবকিছু অনুকূলে থাকায় কোনোভাবে জটিলতা ছাড়াই সফলভাবে স্প্যানটি বসানো হয় পিলারের ওপর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট এক প্রকৌশলী বলেন, ১টা ১০ মিনিটে ১৬ ও ১৭ নম্বর পিলারের ওপর দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় ‘৩-ডি’ স্প্যানটি বসানো হয়। ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়েছে ৩২টি পিলারের। চলতি মাসেই আরও দুইটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা আছে। সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারের স্প্যান ‘৪-ডি’নদীর তীরে প্ল্যাটফর্মে রাখা আছে। ২১ ও ২২ নম্বর পিলারের স্প্যান ‘৪-সি’ পিলারের ওপর বসাবোর জন্য প্রস্তুত আছে। এছাড়া মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ৬-এ,৬-বি,৬-সি পেইন্টিং শেষে পিলারের ওপর নিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। ৪১টি স্প্যানের মধ্যে মাওয়ায় ৩১টি স্প্যান বসবে, এর মধ্যে ১৬টি স্প্যান বসানো হয়েছে।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ