পাকিস্তানকে ১৪ গোলে উড়িয়ে দিলো বাংলার মেয়েরা

পাকিস্তানকে ১৪ গোলে উড়িয়ে দিলো বাংলার মেয়েরা

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে উড়ন্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। জুনিয়র টাইগ্রেসদের হয়ে শামসুন্নাহার ৫টি, তহুরা খাতুন, সাজেদা খাতুন ও আনাই মোগিনি দুটি করে গোল করেন। মনিকা চাকমা, মারিয়া মাণ্ডা ও আঁখি খাতুন জালের দেখা পান একবার করে। তাতেই প্রতিপক্ষকে বড় হারের লজ্জা দিলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

৮ মাস আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরের ফাইনালে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ধারা এবারও ধরে রাখতে চাই গোলম রব্বানীর শিষ্যরা। যার শুরুটা অবশ্য বৃহস্পতিবার হয়েছে দুর্দান্ত।

থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে বাংলাদেশের গোল উৎসবের শুরুটা করেন তহুরা খাতুন। ১২ মিনিট পরই ফ্রি কিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুন করেন মনিকা। এর দুই মিনিট পর হেডে স্কোরলাইন ৩-০ করেন সেই তহুরা। এদিকে ম্যাচের ৩১তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে দারুণ শটে পকিস্তানের গোলরক্ষকে পরাস্থ করেন শামসুন্নাহার।
৩৯তম মিনিটে অধিনায়ক মারিয়া ও পরের মিনিটে ডিফেন্ডার আঁখি দূরপাল্লার জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। তাতে ৬-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবল দল।
বিরতি থেকে ফিরে যেন গোলের নেশায় মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশের কিশোরিরা। তাইতো এ অর্ধে পাকিস্তানের জালে আরো ৮টি গোল করেন লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। ৪৮তম মিনিটে সাজেদার গোলের পর ৫০ ও ৫৪তম মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন শামসুন্নাহার। এরপরও থামেনি শামসুন্নাহার।কিছুক্ষণ পরই এ ফরোয়ার্ড আরো একটি গোল করেন। সাজেদা ও আনাই করলেন লক্ষ্যভেদ। তাতে বিশাল জয়ের পথে নিজেদের এগিয়ে নিয়েছিলেন তারা।  সেই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৮৮তম লাল-সবুজদের লিড আরো বাড়িয়ে দেন আনাই। সতীর্থের লম্বা পাসের বল পেয়ে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে জোরালো শটে জালে বল পাঠান তিনি। এরপর ৯০তম মিনিটে পাকিস্তানের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন শামসুন্নাহার।
‘বি’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী সোমবার নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে বৃহস্পতিবার  ‘এ’ গ্রুপে শ্রীলঙ্কাকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে গতবারের রানার্সআপ ভারত।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট