ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমাঞ্চকর টাই

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমাঞ্চকর টাই

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শতরান করেছিলেন। তিনশো রান তাড়া করে অনেক আগে ভারত ম্যাচ বের করে ফেলেছিল। আর এদিন টসে জিতে প্রথম ব্যাট করে করে ফেললেন আর একটি ঝড়ো শতরান। এদিন একদিনের ক্রিকেটে ব্যক্তিগত ৩৭তম শতরানটি করে ফেললেন বিরাট। পাশাপাশি দ্রুততম ১০ হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করলেন। এতসব কৃর্তি গড়ার পরও শেষ হাসিটা হাসতে পারলেন না ভারত অধিনায়ক। ওয়েস্টি ইন্ডিজের দুই ব্যাটসম্যান শিমরন হেটমেয়ার আর শেই হোপের ব্যাটিং তাণ্ডবে ভারতের বোলাররা নাকানি চুবানি খেয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত টাই হয়েছে ম্যাচটি।

কোহলি এদিন ওয়ানডেতে দ্রুততম দশ হাজার রানের মালিক হয়েছেন। সঙ্গে ক্যারিয়ারের ৩৭তম শতকও তুলে নেন। আগের ম্যাচে শতক হাঁকানোর পর দশ হাজার থেকে ৮১ রান দূরে ছিলেন কোহলি। রানের এই এলিট ক্লাবে পৌঁছাতে ২০৫টি ইনিংস খেললেন তিনি। শচীনের লেগেছিল ২৫৯ ইনিংস।

শেষ ওভারে ম্যাচ জিততে ১৪ রানের দরকার ছিলো ক্যারিবীয়দের। বোলিংয়ে উমেশ যাদব। প্রথম তিন বলে ৭ রান দিয়ে ম্যাচটা হাত থেকে প্রায় ফেলেই দিয়েছিলেন এ পেসার। কিন্তু চতুর্থ বলে অ্যাশলি নার্স অম্বাতি রায়ডুর হাতে ধরা পড়লে আবারও জমে যায় ম্যাচ। শেষ দুই বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার তখন ৭ রান। পঞ্চম বলে হোপস দুই রান নেয়ার পরও সমীকরণ দাঁড়ায় শেষ বলে পাঁচ!

এর আগে ঘাড়ে জমে বিশাল রানের পাহাড়। তাড়া করতে নেমে ৭৮ রানের মধ্যেই ক্যারিবীয়দের ছিল না তিন উইকেট। এমন জটিল পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর শুরু তাদের। দৃশ্যপটে প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শিমরন হেটমায়ার ও শাই হোপস।

গোহাটিতে ১০৬ রানের দারুণ এক ম্যাচ খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি হেটমায়ার। কিন্তু তাতেও যে দমে যাননি তার প্রমাণ বিশাখাপত্তমে বিশাল ৭ ছয় ও ৪ চারের সাহায্যে ৬৪ বলে ৯৪ রানের ঝলমলে ইনিংসটি। টানা দ্বিতীয় শতক হয়তো পেতেন, কিন্তু তা না পেলেও হোপসের সঙ্গে ১৪৩ রানের জুটি গড়ে ম্যাচ বাঁচানোর ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন তিনিই।

৩২ ওভারের মাথায় হেটমায়ার সাজঘরে ফেরেন। বাকি পথটা একাই দলকে টেনেছেন হোপস। অন্যপ্রান্তে সতীর্থদের সঙ্গে ছোট-ছোট জুটি গড়ে ঠিকই পথে থেকেছেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তাতে পেয়েছেন নিজের দ্বিতীয় শতকের দেখাও। অপরাজিত থেকেছেন ১২৩ রানে।

আক্ষেপ একটাই; জয় পাননি!

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট