প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি সভাপতি আব্দুল আজিজ

প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি সভাপতি আব্দুল আজিজ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাচ্ছে আগামী ২৮ মে। প্রায় পাঁচ বছর বাদে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু নির্বাচনের আগেই প্রযোজক-পরিবেশকদের মধ্যে সমঝোতা হয়ে গেছে। সে অনুযায়ী জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবদুল আজিজ সভাপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল দুটি – একটি আবদুল আজিজের প্যানেল এবং অন্যটি খোরশেদ আলম খসরুর প্যানেল। সমঝোতা অনুযায়ী দুই বছর মেয়াদী পদের প্রথম বছরে আবদুল আজিজ সভাপতি থাকবেন এবং খোরশেদ আলম খসরু পরের বছরের জন্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আবদুল আজিজ এবং খসরু উভয়েই এর সত্যতা স্বীকার করেছেন।

এ প্রসঙ্গে আবদুল আজিজ জানিয়েছে, ‘চলচ্চিত্রের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা এটা করতে চাই। যেন কোনও মামলা, হয়রানি কিংবা কোনও প্রকার ঝামেলা না হয়। সুস্থ চলচ্চিত্রের প্রসারের জন্য এ ঝামেলাগুলো এড়ানো জরুরি।’

ইমপ্রেস টেলিফিল্মের চেয়ারম্যান ফরিদুর রেজা সাগর এ সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। খুব শীঘ্রই চ্যানেল আইয়ের অফিসে এ বিষয়ে চুক্তিনামা স্বাক্ষরিত হবার সম্ভাবনা রয়েছে। সমঝোতার এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনেরও সমর্থন রয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক খন্দকার রুহুল আমিন, সদস্য হিসেবে আছেন মীর্জা সাখাওয়াত ও আবদুল আলিম। আপিল কমিটির সভাপতি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মোতালেব হোসেন, সদস্য হিসেবে আছেন পরিচালক সমিতির সহ-সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান ও প্রদর্শক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে সোহানুর রহমান সোহান জানিয়েছেন, ”এটা করার সুযোগ থেকেই যায়। কারণ ইসির সদস্যদের আগে নির্বাচন হবে। নির্বাচিতরা আবার ভোটে অংশ নেওয়ার কথা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদটি চূড়ান্ত করার জন্য।

তাই ইসি সদস্যদের হাতেই মূলত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদটি। সদস্যরাই এ সমঝোতার মধ্যে আছেন। তারা যেহেতু চাচ্ছেন, তাই এ দুজনকে আগেই চূড়ান্ত করা সম্ভব। আবার ইসি কমিটির সদস্যদের জন্য ২৮ মে’র নির্বাচন ঠিকই হবে।’

উল্লেখ্য, প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালে। ২০১৩ সাল থেকে একজন প্রশাসকের অধীনে সমিতি চলছে। ২০১৪ সালে তৎকালীন প্রশাসক মো: ইফতেখার হোসেন নির্বাচনের উদ্যোগ নিলেও নির্বাচনের আগের রাতে প্রযোজক-পরিবেশক অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান মানিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। সমঝোতার এ নির্বাচনে আবদুল আজিজের সাথে সাধারণ সম্পাদক হবেন সামশুল আলম, অন্যদিকে খসরুর সাথে সাধারন সম্পাদক হবেন আতিকুর রহমান লিটন।

 

সম্পর্কিত সংবাদ
নিজস্ব প্রতিবেদক