বরিশাল বুলসকে ‘ফকিরনি’ বলেছিলেন মুশফিক!

বরিশাল বুলসকে ‘ফকিরনি’ বলেছিলেন মুশফিক!

ঘটনার শুরু বিপিএলের গেল আসরের মাঝামাঝিতে। জানা যায় বরিশালের হয়ে খেলতেই চাননি মুশফিক। এছাড়া দলটির প্রতি কোন রকম আগ্রহ ছিল না তার। তারই ধারাবাহিকতায় মুশফিক নাকি দলটির আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে নিজ দল বরিশাল বুলসকে ‘ফকিরনি’ বলে অভিহিত করেছিলেন। এমনটাই অভিযোগ দলটির অন্যতম স্বত্ত্বাধিকারী এমএ আউয়াল চৌধুরী ভুলু’র।

তিনি বলেছেন , ‘ওই সময় বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল বরাবর মুশফিকের নামে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছিলো বরিশাল বুলসের পক্ষে। এমনকি পুরো বিষয়টিই জানতেন বরিশাল বুলসের তৎকালীন ম্যানেজার ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ। ’

তবে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল সদস্য শেখ সোহেল জানিয়েছেন, এমন কোনো অভিযোগ পত্র কখনোই জমা পড়েনি কাউন্সিলে।

তাহলে কি ভিত্তি এম এ আউয়াল চৌধুরীর তোলা অভিযোগের? কেনো তিনি ঘটনার সময়েই তার প্রতিকার চাইলেন না?

আউয়াল চৌধুরী’র ব্যাখ্যা, তখন বিপিএল চলছিল। তা‍ৎক্ষণিক মুশফিকের ওই মন্তব্যের প্রতিবাদ করলে টুর্নামেন্টে দলের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারতো।  তাই মুশফিককে তখন কিছুই বলেনি বরিশাল বুলসের ফ্রেঞ্চাইজিরা। কিন্তু তারপর? গত ১ বছরে কেনো এ নিয়ে মুখ খুললেন না বরিশাল বুলসের কর্ণধাররা?

আউয়াল চৌধুরীর বক্তব্য, বিপিএলের পরপরই দেশের বাইরে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটির ট্যুর ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মতো বড় আসর ছিল। ওই সময় ওর (মুশফিক) বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হলে দলে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।

এসময় টিভি চ্যানেলে দেয়া নিজের বক্তব্য নিয়ে আউয়াল বলেন, বিসিবির পরিচালক হিসেবে নয়; মুশফিককে কথাগুলো বলেছি দল মালিক হিসেবে। কোটি টাকা খরচ করে দল কিনেছি তাই তাকে আমি এসব বলতেই পারি।

বিপিএলের গেল আসরে বরিশাল বুলসের পারফরম্যান্স অসন্তোষজনক হওয়াতে মালিক পক্ষ ক্ষেপেন মুশফিকের ওপর।  আসরটিতে দল ভালো না করলেও মুশফিকের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো।  ১২ ম্যাচে ৩৭. ৮৮ গড়ে ৩৪১ রান সংগ্রহ করে ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তিনিই ছিলেন শীর্ষে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট