বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ: শেখ হাসিনা

বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ: শেখ হাসিনা

ক্ষুধা-দারিদ্র দূরীকরণে উন্নয়ন সহযোগীদের আরো উদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের অর্থনীতির তেজীভাব ধরে রাখতে জাতিসংঘ কৃষি উন্নয়ন তহবিল থেকে টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ চেয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বিকেলে ইতালির রোমে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল-আইএফএডির গভর্নিং কাউন্সিলের ৪১তম অধিবেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিজলী বলেন, জাতিসংঘ সংস্থাগুলো রোহিঙ্গাদের জরুরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে দাতাদের আগ্রহ কমে আসছে।

ইতালির রোমে মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল-আইএফএডি’র গভর্নিং কাউন্সিলের ৪১তম অধিবেশনে ‘নাজুকতা থেকে দীর্ঘ মেয়াদে তেজীভাব: টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রবন্ধে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতির উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নেয়া নানা পদক্ষেপগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তার সামনের চ্যালেঞ্জগুলোর কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষুধা ও দারিদ্র দূরীকরণে উন্নয়ন সহযোগীদের আরো উদার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা সকলকে টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য উৎপাদন বেড়ে ২০১৭ সালে এসে ৩৯ মিলিয়ন টনে দাঁড়িয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় নানা কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সরকার ভূমিহীন কৃষকদের সহজশর্তে ঋণ দিচ্ছে, ভর্তুকি দিচ্ছে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে কোনো ভূমিকা না থাকলেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় তার হোটেলে সাক্ষাৎ করেন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি-ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিজলী। তিনি বলেন, জাতিসংঘ সংস্থাগুলো রোহিঙ্গাদের জরুরি সহায়তা দিয়ে গেলেও এ বিষয়ে এখন দাতাদের আগ্রহ কমে আসছে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট