বাদল দিনে তাহার সনে..

বাদল দিনে তাহার সনে..

অনেকক্ষন ধরে বারান্দায় বসে আছি।চাঁদ নেই,তবুও আকাশটা বেশ পরিষ্কার লাগছে।হিমেল পরশ দিচ্ছে দক্ষিনা বাতাস।সে বাতাস জুড়ে আবেশ ছড়িয়ে দিচ্ছে বারান্দায় ফুটে থাকা হাস্নাহেনা ফুল।মোবাইল থেকে রবীন্দ্রসংগীত শুনছি।“শ্রাবণের ধারার মত পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে,তোমারি সুরটি আমার মুখের পরে,বুকের পরে।”
এমন অসাধারন মোহময় সময়ে চাঁদটাকে খুব মিস করছি।হঠ্যাৎ মোবাইলে একটা ম্যসেজ এল।খানিকক্ষনের জন্য গানটা বন্ধ হয়ে গেল। একটু বিরক্তি নিয়েই ইনবক্সটা খুললাম।
সেই চেনা নাম!অনেক বছর পর আবার আমার মোবাইল স্ক্রীনে!মাথাটা কেমন যেন ঘুরে উঠল।আমার হৃদপিন্ডের শব্দ বন্ধ হয়ে গেল।চোখে ঝাপসা দেখছি।মনে হল কিছুক্ষনের মধ্যেই মারা যাব।ইচ্ছে করছে মায়ের খুব কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরে শুঁয়ে পড়ি।
আস্তে আস্তে নিজের বিছানায় ফিরে এলাম।ঘুমানোর চেষ্টা করলাম কিছুতেই ঘুম আসছে না।ইনবক্সটা আবার খুললাম।
“জানি এখনো জেগে আছো।মনে আছে নিশ্চই কাল আষাঢ়ের প্রথম দিন।কাল সকাল দশ টায় আমি ধানমন্ডি লেকের ধারে সেই হিজল গাছটার নিচে থাকব।আমি জানি তুমি আসবে।”
ব্যস এতটুকুই?আশ্চর্য এতদিন পর এখনো এতটা কনফিডেন্স ও পেল কি করে!হাসলাম মনে মনে।কনফিডেন্স!এই একটা জিনিসের অভাব ওর কোনদিনই ছিলনা।বরং কোথাও কোথাও,কারো কারো ব্যাপারে একটু বেশিই ছিল।
সেই যে ইউনিভারসিটির প্রথম দিন ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার পনের মিনিট পর হুড়মুড় করে ঢুকেছিল হিমেল।স্যার বিরক্ত হয়ে জানতে চাইলেন-“কি ব্যাপার!প্রথম দিনই দেরী করে এলে?” ও বলল-“স্যার ঠিক সময়েই বাসা থেকে বেরিয়েছিলাম।ঠিক সময়ে পৌঁছাতেও পারতাম।কিন্তু সব গন্ডগোল করে দিল ওই বানরটা।মানে স্যার রাস্তায় বানরের খেলা হচ্ছিল।তাই দেখতে গিয়ে দেরী হয়ে গেল।”
আমরাতো সবাই ভয়েই অস্থির।কিন্তু ওর কথায় এতোটা কনফিডেন্স ছিল যে স্যার হেসে ফেললেন।পরে অবশ্য আমরা জানতে পেরেছিলাম ঘুম থেকে উঠতেই নাকি দেরি হয়েছিল ওর।আর ক্লাসে ঢুকতেই স্যারকে দেখে নাকি বানরের মত লেগেছিল।তাই বানর খেলার গল্পটা ও তাৎক্ষনিক বানিয়ে বলেছিল।
এইরকম বাদরামী আর দুষ্টামীতে হিমেল ক্লাসটা মাতিয়ে রাখত সবসময়।পড়ালেখাতেও খুব ভাল ছিল।তাই সহপাঠী,শিক্ষক সবাই খুব ভালবাসত ওকে।আর চুপচাপ-শান্ত স্বভাবের মেয়ে হিসেবে পরিচিতি ছিল আমার।বন্ধুরা দুষ্টমী করে বলত, রসায়নে পড়ি কিন্তু আমার নাকি রসবোধ এক্কেবারেই নাই।
হিমেল খুব চঞ্চল-দুষ্টু স্বভাবের ছিল,আর আমি ছিলাম ঠিক ওর বিপরীত।তাই আমাদের মধ্যে সেভাবে বন্ধুত্বটা ছিলনা প্রথম দিকে।কিন্তু পরে হিমেলই হয়ে গিয়েছিল আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু।আমিও ছিলাম ওর সবচাইতে কাছের বন্ধু।
আমাদের মধ্যে বন্ধুত্বটা হয়েছিল একটু অন্যরকম ভাবে।হিমেল ক্লাসের সব মেয়েদের সাথে সবসময় দুষ্টামী করত।এমন ভাব করত যেন সবার সাথে ওর প্রেম আছে।তাই মেয়েরা সবাই মিলে শুধু যুক্তি করত কি করে ওকে জব্দ করা যায়।
সেদিন আমাদের উপল স্যার আসেন নাই বলে প্রথম ক্লাসটা হয় নাই।আমরা মেয়েরা বারান্দায় দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম।আর ছেলেরা নিচে ডিপার্টমেন্টের সামনের যে জায়গাটা,সেখানে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিল।মেয়েরা বলল,চল ওদের আড্ডায় একটু ডিস্টার্ব করি।কিন্তু কিভাবে?আমি এগিয়ে গেলাম।আমার হাতে ক্যাপ ছাড়া একটা কলম ছিল।কলমের ক্যাপটা খুলে কোথায় যেন পরে গিয়েছিল।আমি ওই কলমটা উপর থেকে ছেলেরা যেখানে দাঁডিয়ে ছিল,ওদের ঠিক মাঝখানে ছেড়ে দিলাম।
নিচে বেশ হইচই পরে গেল।কি হয়েছে? কে করল?ইস দেখি দেখি,চোখটা দেখি।কিছু বুঝে উঠার আগেই আমি দৌড়ে ক্লাসে চলে এলাম।পিছন পিছন আমার সহপাঠী মেয়েরা।ধারনা করলাম ছেলেদের কেউ একজন মারাত্মক আহত হয়েছে।এবার নিশ্চই স্যারের কাছে নালিশ করবে।সবাই মিলে ঠিক করা হল স্যার যখন জানতে চাইবে,কলমটা কে ফেলেছে? তখন আমরা কারো নাম বলবনা।
ঠিক তখনি হিমেল ক্লাসে এলো।ওর বাম চোখটা হাত দিয়ে ঢাকা।সবাইতো হতবাক!কারোই বুঝতে বাকি থাকলনা যে আহত হয়েছে সে আর কেউ নয়।আমাদের দুষ্টের রাজা হিমেল।সবাই ফিসফিস করে বলল,এরপর আর কোনদিন ও মেয়েদের সাথে দুষ্টামী করবেনা।
হিমেল সোজা এগিয়ে এসে একেবারে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলল-“সামিয়া! আমার চোখ দু’টো তোমার এত্ত পচ্ছন্দ?বললে তো তুলে এনে তোমার হাতে দিয়ে দিতাম।”তারপর একটু গম্ভীর হয়ে,মুখটা একটু করুন করে বলল-“কিন্তু তুমি যেটা করলে,তাতে তো আমার চোখটাই নষ্ট হয়ে গেল।এখন থেকে তো একচোখে আমি শুধু তোমাকেই দেখতে পাব।তাহলে আমার শশীর কি হবে?”
আমি ভয় পেয়ে গেলাম।আর ভীষন মায়া হল হিমেলের অদেখা গার্লফ্রেন্ড শশীর জন্য।আমি প্রায় কেঁদে ফেললাম,বললাম-“খুব ভুল হয়ে গেছে,প্লিজ মাফ করে দাও।”
অমনি চোখ থেকে হাতটা সরিয়ে নিয়ে হিমেল বলল-“ধুর বোকা মেয়ে!চোখে তো কিছুই হয়নি আমার।” আরো একটু কাছে সরে এসে বলল-“দ্যাখো, গালে সামান্য একটু লেগেছে।”
সেই থেকেই বন্ধুত্বের ঘনিষ্টতা।একসাথে বসা,একসাথে হাঁটা,একসাথে ঘুরতে যাওয়া,ক্যান্টিনে খাওয়া,অ্যাসাইনমেন্ট তৈরী করা,শপিং করা।যেন আমাদের কোন কাজই করা সম্ভব ছিল না একজন আরেক জনকে ছাড়া।পচ্ছন্দ-অপচ্ছন্দ গুলোও যেন মিলে যেত কেমন করে!
হিমেলের বাড়ি ছিল রাজশাহীতে।বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে হিমেল।ওর বাবা-মা সেখানেই থাকত।এস,এস,সি পাশ করার পর নটরডেম কলেজে ভর্তি হয়ে ঢাকায় চলে এসেছিল।শশী ছিল ওর স্কুলের সহপাঠী।খুব ভালবাসত হিমেল ওকে।আর সুযোগ পেলেই শশীর গল্পের জুড়ে বসত।কিন্তু ওই গল্প করা পর্যন্তই।কোনদিন একটা ফোন,কোন ম্যাসেজ আসতে দেখিনি শশীর কাছ থেকে।কিম্বা যেতেও দেখিনি ওর কাছ থেকে।কতবার ওকে বলতাম-ফোনে একবার আলাপ করিয়ে দে ওর সাথে।” কিন্তু ও রাজী হয়নি কখনো,হেসে বলত-“বন্ধু!তুই কি আমার প্রেমের হত্যাকারী হবি?আরে বাবা মেয়ে মানুষ যা হিংসুটে হয়।হিংসেয় না পরে আমার প্রেমটাই ভেঙ্গে যায়!”
এভাবেই দেখতে দেখতে কেটে গেল কয়েকটি বছর।আমাদের অনার্স পরীক্ষা হয়ে গেল।রেজাল্ট বের হল।মাস্টার্স ভর্তির সময় হল।তখন হিমেল বলল-“ও আর আমাদের সাথে পড়বে না।রাজশাহীতে গিয়ে পড়বে।বন্ধুরা বলল হিমেল নাকি সেখানে শশীর সাথেই একসাথে পড়াটা শেষ করতে চায়।

সেদিনই প্রথম বুঝতে পেরেছিলাম কখন যেন হিমেল আমার খুব ভিতরে গোপন একটা জায়গা করে নিয়েছিল।বুঝতে পারলাম এই পৃথীবি ছাড়াও আমার ভিতরে রয়েছে আরেকটি পৃথীবি।সেই পৃথীবির নাম ভালবাসা।একটুও দেরি করলাম না আমার সে ভালবাসার সবটুকু ওকে দিতে।ও তা জানতেও পারল না।
হিমেল চলে গেল।আমার পৃথিবীটা ফাঁকা হতে হতে শূণ্য হয়ে গেল।তবে ফোনে প্রায় প্রতিদিনই আমাদের কথা হত।
এরপর প্রায় তিন মাস পরে হুট করেই একদিন বিকেলে হিমেল এসে হাজির হল আমাদের বাসায়।মনে হল ও যেন কেমন বদলে গেছে।একটু গম্ভীর,কথাও বলছে কম।না জানিয়ে কেন এল জানতে চাইলাম।বলল,ওর নাকি একটা খুব জরুরী কাজ আছে,কাল বলবে।সন্ধ্যা হল হিমেল চলে গেল ওর চাচার বাসায়।কাল সকাল দশ টায় পাবলিক লাইব্রেরীর গেটে থাকতে বলল।
সেই রাতে আমার আর ঘুম হলনা।কখন সকাল হবে,দশটা বাজবে।হিমেলের সাথে দেখা হবে।এমন সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতেই ভোর হল।তারপর সেই সকাল!
আমি পাবলিক লাইব্রেরীতে পৌঁছলাম ঠিক সাড়ে নয়টা নাগাদ।রিক্সা থেকে নামতেই দেখি হিমেল দাঁড়িয়ে আছে।তারপর ও আরেকটা রিক্সা ঠিক করল ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বরে।আমি কারন জানতে চাইলাম।ও কিছু বলল না। শুধু বলল-খুব জরুরী কাজ আছে।আমি আর কিছু না বলে রিক্সায় উঠে বসলাম।রাস্তায় ও প্রায় চুপ করেই বসে থাকল।শুধু কয়েকবার কেমন অদ্ভুত ভাবে তাকাল আমার দিকে।আমার কেমন যেন বুকের ভিতরটা খালি হয়ে গেল সেই দৃষ্টিতে।কিন্তু কোন অর্থ পরিষ্কার বুঝতে পারলাম না সে দৃষ্টির।
রিক্সা এসে থামল বত্রিশ নম্বরে।হিমেল সামনের দিকে হাঁটছে একেবারে লেকের পাশ ঘেষে।আর আমি ওর পিছু পিছু।হিজল গাছটার নিচে বসল,আমি ওর পাশেই বসলাম।এভাবে অনেকক্ষন,কেউ কোন কথা বললাম না।
হঠ্যাৎ হিমেল বলল-“সামিয়া!আচ্ছা তোর কি মনে হয় শশী বলে সত্যিই কেউ আছে?জানিস বাবা খুব অসুস্থ,তাইতো আমাকে রাজশাহীতে চলে যেতে হল।আমি কিছুই বললাম না।ও আবার বলল- “তোকে একটা কথা বলতে চাই।” আমি ওর দিকে তাকালাম।স্বভাব সুলভ দুষ্টু হাসি দিয়ে, বাম হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল-“আগে আমার হাতটা ধর,তারপর বলব।” আমি একটু ভাবলাম,তারপর ওর হাতটা ধরলাম।
হিমেল আরো একটু কাছে এগিয়ে এসে বলল-“একবার গালে হাত দিয়ে দেখ।তোর দেয়া সেই ক্ষতটা কত গভীর হয়ে গেছে।তোকে ছেড়ে আর থাকতে পারছিনা রে!ঠিক করেছি এবার আর ফিরে যাব না।একবার বল না ভালবাসি।”
আমি এক ঝটকায় হাত সরিয়ে নিলাম।কি বলব কিছুই ভেবে পেলাম না।মনে হল হিমেল আমাকে বুঝে ফেলেছে,তাই দুষ্টামী করছে।শুধু বললাম-“প্লিজ,বন্ধুত্বটা এভাবে নষ্ট করিস না।”
জানিনা আমার কথায় ওর কি হল!ও দাঁড়িয়ে গেল,বলল-“চল তোকে এগিয়ে দিয়ে আসি।” বললাম,দরকার হবে না।কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল-“আসি,তুই ভাল থাকিস।”
আমি নিথর হয়ে দাঁডিয়ে রইলাম।ও চলে গেল।একবারো পিছন ফিরে তাকাল না।আমার দু’চোখ ভেঙ্গে কান্না এল।আমি সে কান্না আটকে রাখার চেষ্টা করলাম না।তখন বৃষ্টি নামল।বৃ্ষ্টি ধুঁয়ে দিল আমার সে কান্নার দাগ।
তারপর আরো কতগুলো দিন,কতগুলো বছর পেরিয়ে গেল।আরো কত মুখ,আরো কত কথা,কত,কত স্মৃতি।কোন কোন স্মৃতি ম্লান হল।কোন কোন স্মৃতি নিজেও স্মৃতি হয়ে গেল।কিন্তু সেদিনের সেই স্মৃতি আমার আকাশে শুকতারার মত উজ্বল হয়ে রইল।
তারপর হঠাৎ সাত বছর পর আজ সেই স্মৃতি আর আমি মুখোমুখি।এবার আমি কি করব?কতবার চেয়েছি হিমেল ফিরে আসুক।ভেবেছি ও এলেই ওকে সোজা বলে দিব,আমি শুধু তোকেই ভালবেসেছি। তোর মত করে আমিও যে তোকে চাই।
এখন রাত সাড়ে তিনটা বাজে।আজ আমার ঘুমাতে ইচ্ছে করছে না।কেবলি মনে হচ্ছে ঘুমিয়ে গেলে আর জাগতে পারবনা।কিন্তু কোথা থেকে যে এত ঘুম আমার চোখ জুড়ে আসছে!কিছুতেই চোখ খুলে রাখতে পারছিনা।মোবাইলে এ্যালার্ম দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।
রিমঝিম শব্দে ঘুম ভাঙ্গল।তখনো বিছানায় শুয়ে আছি।বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে। দিনটাকে খুব আপন মনে হচ্ছে। মোবাইলে সময় দেখলাম,আট টা বাজে।নাহ্ আর দেরী করা ঠিক হবে না।দ্রুত উঠে পড়লাম বিছানা ছেড়ে।নাস্তা ছেড়ে ঝটপট তৈরী হয়ে নিলাম। ততক্ষণে বৃষ্টিটাও একটু কমে এল।দ্রুত বেরিয়ে পড়লাম।
জ্যাম পার হয়ে পৌছাতে পৌঁছাতে সাড়ে দশটা বেজে গেল।আমার তখন ভীষন উৎকন্ঠা।দেরি দেখে ও ফিরে যাবেনা তো? দুর থেকেই দেখতে পেলাম হিমেল দাঁড়িয়ে আছে।হাতে কয়েকটি কদম ফুল।হঠাৎ কিযে হল আমার পায়ে যেন আর শক্তি পাচ্ছিনা! বুকের ভিতর কে যে হাতুরি মারছে।ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলাম।ওর একেবারে পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম।
কিছুক্ষণ কেউ ই- কোন কথা বললাম না।হিমেল সেই দুষ্টুমীভরা হাসি দিয়ে ওর গালটা এগিয়ে বলল- “দেখ তোর দেয়া সেই দাগটা এখনো তোকে ভুলতে দিল না।এবার যত্ন করে সারিয়ে দে তো জলদি।” আমি আস্তে করে হাত রাখলাম হিমেলের গালের কাটা জায়গাটাতে।হঠাৎ করেই আবার শুরু হয়ে গেল বৃ্ষ্টি!
আহা…।। সকাল সকাল ঝুম বৃষ্টি…।। একটি দিনের শুভারম্ভ…।। এর চেয়ে ভালভাবে কি আর দিন শুরু হতে পারে…?? শুনেছিলাম বৃষ্টি ফিরে গেলে নাকি সব হারিয়ে যায়…। সত্যি-ই কি তাই…?? যাক বাবা বাঁচা গেল।। আজ অন্তত সেই সম্ভাবনা নাই।।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
তাহমিনা শিল্পী