বিএনপির বেশিরভাগ নেতাই দলছুট: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপির বেশিরভাগ নেতাই দলছুট: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির বড় বড় নেতা বেশিরভাগই হচ্ছেন দলছুট।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ভাসানী ঐক্যজোট আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার রাজনীতি থেকে বিএনপির এখন পেঁয়াজ নিয়ে রাজনীতি করছে- এমন অভিযোগ করেছেন তথ্যমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ।

এসময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষকে জিম্মি করে ভোগ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করা ব্যাবসায়ের নীতি হতে পারে না। পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, খুব সহসাই পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, মওলানা ভাসানীর ক্ষমতার জন্য কোনো লোভ ছিল না। বিএনপির বড় বড় অনেক নেতা তার অনুসারী ছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় ভাসানীর অনুসারীরা তার আদর্শ ত্যাগ করে শুধু ক্ষমতার লোভে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিল। তার কিছু অনুসারীর এরকম অধঃপতন সত্যিই আমাদের পীড়া দেয়।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতার জন্য জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দিলেন, তখন সেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণের জন্য, তারা দল ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছিলেন। আবার অনেকে জাতীয় পার্টিতেও যোগ দিয়েছিলেন। অর্থাৎ তারা ক্ষমতার জন্য দল ত্যাগ করেছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও অন্য দল করতেন। রিজভী আহমেদও ছাত্রজীবনে অন্য দল করতেন। মওদুদ আহমদ সব দল করেছেন। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, তারা সবাই দলছুট নেতা। বিএনপির বড় বড় নেতা বেশিরভাগই হচ্ছে দলছুট।’

তিনি বলেন, ‘যারা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন, তারা যখন দীর্ঘদিন ক্ষমতা থেকে দূরে থাকেন, তখন তাদের প্রচণ্ড কষ্ট হয়। কারণ তারা ক্ষমতার জন্যই তো রাজনীতি করে। তারা যখন দেখে ক্ষমতাসীনরা দেশের উন্নয়ন করছে, মানুষের মধ্যে স্বস্তি এবং শান্তি আছে, প্রতিটি মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হয়েছে, তখন তাদের গাত্রদাহ হয়। কারণ এটি (উন্নয়ন) হলে তাদের নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভ করা হয় না। সে কারণে আজকে দেশে যে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, ভাসানী ঐক্যজোটের সভাপতি এম এ ভাসানী প্রমুখ।

মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট