বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন তো সাকিব?

বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন তো সাকিব?

মেলবোর্নের হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গ্রেগ হয়ের তত্তাবধানে চলছে সাকিব আল হাসানের হাতের চিকিৎসা। চলছে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল আসবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে। সাকিব চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে থাকবেন ৭২ ঘণ্টা। সেটি শেষ হয়ে গেলেও চলবে সংক্রমণের চিকিৎসা। ৭ দিন ধরে শিরায় প্রবেশ করবে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই বিছানায় শুয়ে মুঠোফোনে সাকিব নিজেই জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল ও গ্রেগ হয়ের পর্যবেক্ষণের পর চূড়ান্ত হবে চিকিৎসার গতিপথ। তবে একটি বিষয় এরই মধ্যে চিকিৎসক তাকে নিশ্চিত করে দিয়েছেন। বা হাতের কড়ে আঙুলের গোড়ায় যে অস্ত্রোপচার নিয়ে এত কিছু, সংক্রমণের কারণে আগামী অন্তত ৬ মাসের মধ্যে সেই অস্ত্রোপচার করা যাবে না।

মুঠোফোনে সাকিব বলেন, এখানে ডাক্তার বলেছেন কমপক্ষে ৬ মাস, এমনকি ১২ মাসও লেগে যেতে পারে অস্ত্রোপচার করাতে। যে ভাইরাসের কারণে এই ইনফেকশন, সেটি খুব আনকমন ভাইরাস। আমার হাতে এই ভাইরাস আর ১ পার্সেন্টও নেই, সেটি নিশ্চিত হওয়ার পরই অপারেশন সম্ভব। নইলে জটিল সমস্যা হতে পারে। তবে মেলবোর্নে গিয়ে যে আশার কথাটি সাকিব শুনেছেন, সেটি হলো, সংক্রমণ ভালো হয়ে গেলে অস্ত্রোপচার না করিয়েও হয়তো তিন মাস পর তিনি খেলা শুরু করতে পারবেন। সাকিব বলছিলেন, ইনফেকশন দূর করার জন্য আমাকে ওষুধ খেয়ে যেতে হবে।

ওষুধ খেয়ে বুঝতে হবে কী অবস্থা। সব ঠিক থাকলে এরপর খেলা শুরু। এই দুটি স্টেজেও যদি ব্যথা না বাড়ে, তখন হয়তো অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হবে। আবার এমনও হতে পারে, খেলা শুরুর পর দেখলাম ব্যথা একেবারেই উধাও হয়ে গেছে। তখন অপারেশন নাও লাগতে পারে। অলৌকিক কত কিছুই তো ঘটে। তবে ব্যথা হলে অপারেশন লাগবেই। অপারেশন করে আঙুলটাকে ব্যাট ধরার মতো অবস্থায় আনতে হবে।

এশিয়া কাপের আগেও ভাবনাটা ছিল, টুর্নামেন্টটা খেলেই হাতের অস্ত্রোপচার করাবেন সাকিব আল হাসান। ফিরবেন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এক, দুই সিরিজ পরই। কিন্তু আঙুলের সংক্রমণ পালটে দিয়েছে সব হিসেব নিকেশ। হাতের অবস্থা বুঝতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে এই অলরাউন্ডার জেনেছেন, সংক্রমণ নির্মূল হতে লাগতে পারে অনেকটা সময়। অন্তত ছয়মাসের মধ্যে অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা নেই। এতে ঝুঁকিতে পড়েছে আসছে জুনে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে তার খেলা।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট