ব্যাক পেইনকে বিদায় জানাতে তিন যোগাসন

ব্যাক পেইনকে বিদায় জানাতে তিন যোগাসন

ব্যাক পেইন বা পিঠে ব্যথা একটি পরিচিত সমস্যার নাম। মেরুদণ্ডের তরলের ঘাটতি সৃষ্ট এ ব্যথায় মাঝবয়সীদের কাবু হওয়ার উদাহারণ বিস্তর রয়েছে। স্মার্টফোন এবং ল্যাপটপের জীবনে ব্যাকপেইন প্রায় অনিবার্য অনুসঙ্গ হিসেবে হাজির হয়েছে। ৩টি যোগাসনের নিয়মিত অনুশীলনে স্বস্তি মিলতে পারে।

পিঠে বা মেরুদণ্ডের এই ব্যথার দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন হয়ে জীবনধারায় সচেতনতা জরুরী। কর্মস্থলে সঠিক অঙ্গবিন্যাস ব্যাক পেইন থেকে স্বস্তি দিতে পারে।

কোমরের ব্যায়াম : একটু নজর যদি রাখেন পথে ঘাটে তাহলে দেখতে পাবেন। কিংবা ঘরে যদি পোষা কুকুর থাকে তাহলেও দেখবেন একটি সাধারণ ব্যায়াম কিন্তু কুকুর করে থাকে। দিনে একবার দুবার করে সে এই ব্যায়াম। কিন্তু ঝরঝরে থাকে সবসময়। মেরুদণ্ড এবং পায়ের প্রসারণের এই ব্যায়াম কোমরকে শক্তিশালী করে। মেরুদণ্ডের ব্যথায় স্বস্তি যোগাতে এটি দারুণ ব্যায়াম। প্রতিদিন ২বার করা যেতে পারে এই যোগা আসন। সকালে এবং বিকালে।

বসে সামনে পা ভাঁজ : আসনটি বসে করতে হয়। খুব সহজ। যে কোন সময় যে কোন জায়গায় যোগাসনটি করা যায়। এ আসন পুরো শরীরের জড়তা কাটায়। শিশুদের উচ্চতা বৃদ্ধি এ আসনে বড় উপকারী। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি উপশমেও কার্যকরী এ আসন। দুই পা সোজা করে বসে হাত দিয়ে দুই পায়ের বুড়ো আঙ্গুল ছুঁয়ে দেওয়ার চেষ্টা ধীরে ধীরে। এতে শরীর একটু ভাঁজ হয়ে আসে। ফলে মেরুদণ্ডের উপকার হয়। এটিও সকালে বিকালে অল্প সময় করলে উপকার মিলবে।

ভঙ্গি স্ফিংক্স : মিশরের ফারাও সময়ের পিরামিড রক্ষাকারী দেবতা স্ফিংস। তার যে ভঙ্গি সেই ভঙ্গির যোগাসন এটি। উপুর হয়ে শুয়ে দুই হাতের কনুই সামনে ভূমির সমান্তরালে রেখে কোমরের অংশ উচু করে তুলে ধরা হয় এ আসনে। এতে বুকটা সামনে চলে আসে টানটান। এতে মাথাও সোজা হয়ে থাকে। এ যোগাসনে সবচেয়ে আরাম পায় মেরুদণ্ড।

সকালে এবং বিকালে একটানা ১০/১৫ বার এ যোগাসন করলে ফল মিলবে দ্রুত। তবে কাজটি ধীরে ধীরে করতে হবে দ্রুত নয়। এই তিনটি যোগাসনের ভালো দিক আসনগুলো খুব সহজ। অল্প অনুশীলন এবং পরিশ্রমে এটি নিয়মিত করা যায়। কিন্তু ফল দীর্ঘমেয়াদি। মেরুদণ্ড ঠিক রাখতে এইটুকু তো করা যেতেই পারে। কি বলেন!

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ