ভালোলাগার নেই কোনো বয়স

ভালোলাগার নেই কোনো বয়স

ভালোলাগার কোনো বয়স নেই। যেকোনো বয়সে, যেকোনো ব্যক্তিকেই ভালো লাগতে পারে। এমনকি ভালোলাগার ক্ষেত্রে বয়সের পার্থক্য, সামাজিক অবস্থান এ ধরণের বিষয়গুলোও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। আসল কথা হচ্ছে, সঙ্গীর সাথে জীবনের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়া, তাঁর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা।

আবার ভালোলাগা সব বয়সে যে একই রকম থাকবে এমন কোনো কথা নেই। বয়সের সাথে সাথে আমাদের দেহ-মন যেমন পাল্টায় তেমনি পাল্টাতে থাকে আমাদের রুচি ও পছন্দ। সঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এর স্পষ্ট প্রভাব রয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের নারীদের ওপর চালানো একটি জরিপে উঠে এসেছে তারা সঙ্গী হিসেবে কোন বয়সে কেমন পুরুষ পছন্দ করেন।

আঠারো থেকে চব্বিশঃ এ বয়সী নারীরা সবেমাত্র কৈশোর পেরিয়ে তারুণ্যে প্রবেশ করেন। সাধারণত শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় পুরুষদের বেশি পছন্দ করেন এরা। আর এমন কাউকেই খুঁজে নেন যাকে অন্যদের সামনে সঙ্গী হিসেবে উপস্থাপনে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন এবং বন্ধুদের কাছেও যিনি গ্রহণযোগ্য হবেন। অর্থাৎ নিজের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গে বন্ধু-বান্ধবের পছন্দকেও মূল্যায়ন করেন এ বয়সী নারীরা।

পঁচিশ থেকে চৌত্রিশঃ চব্বিশের কোঠা পেরোনোরা একটু দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক প্রত্যাশা করেন। সেজন্যে তাঁরা বয়সে তরুণ, উচ্চাভিলাষী, উচ্ছল এবং আকর্ষণীয় কাউকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে চান। এ বয়সের নারীরা দৈহিক সম্পর্কের বিষয়টিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেন। আজকাল অনেক নারী এ বয়সে স্বাবলম্বী হয়ে যান বলে নিজেই পছন্দের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণে সক্রিয় থাকেন।

পঁয়ত্রিশ থেকে চুয়াল্লিশঃ এ বয়সে এসে কেউ কেউ ভাবতেই পারেন, জীবনের অর্ধেকটা সময় পার করা হয়ে গেছে। তাই যেসব পুরুষ প্রতিষ্ঠিত, স্থিতিশীল, সফল এবং অভিজ্ঞ তাদেরকেই পছন্দ করেন ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী নারীরা। তাই এ বয়সী নারীর মন পেতে হলে আবেগের সঙ্গে থাকতে হবে ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রতিষ্ঠাও।

পঁয়তাল্লিশ থেকে চুয়ান্নঃ এ সময়ে নারীর দৈহিক পরিবর্তনের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ বয়সে এসে নারী আর ঋতুমতী থাকেন না বলে তাদের দেহের পাশাপাশি মনেও অনেক পরিবর্তন আসে। এ সময়ের নারীরা অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং অভিজ্ঞ। এ সময়ে মানসিকভাবে প্রবল আকর্ষণ না থাকলে কেউ নতুন সঙ্গীর খোঁজে ঝুঁকি নিতে চান না। কারণ, সামাজিক ভাবমূর্তি ও নিরাপত্তার বিষয়টি এখন তাদের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

পঞ্চান্নর ওপরেঃ জীবনের দুঃখ-কষ্ট কিংবা হাসি-আনন্দের কথা ভাগাভাগি করে নেওয়া যায় এমন কাউকেই বেছে নেন এরা। এ ক্ষেত্রে বুদ্ধিমান ও ব্যক্তিত্ববান কাউকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে চান তাঁরা। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ৫৫ বছর পার করেও এ বয়সের নারীরা জীবনের সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠতে চান।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট