মিরাজের ‘ব্যাকআপ’ হিসেবে দলে মোসাদ্দেক

মিরাজের ‘ব্যাকআপ’ হিসেবে দলে মোসাদ্দেক

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর থেকেই জাতীয় দলে জায়গা হারিয়ে ফেলেছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এক টেস্টে ফিরেছিলেন বটে, কিন্তু বাদ পড়েছেন এর পরেই। মোসাদ্দেক হোসেনকে এরপর কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও রাখা হয়নি, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও সময়টা ভালো যায়নি। নিজের ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও কদিন আগে অসন্তোষের কথা বলেছিলেন। তবে আবার সুযোগ পেয়েছেন নিজেকে প্রমাণ করার, আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে রাখা হয়েছে দলে।

রোববার মিরপুরে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করলেন, ব্যাটসম্যান নয়, অলরাউন্ডার হিসেবেই জায়গা পেয়েছেন মোসাদ্দেক।

জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকটা টি-টোয়েন্টিতেই হয়েছিল মোসাদ্দেকের। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ওই ম্যাচের পর এই ফরম্যাটে খুব বড় কিছু করতে পারেননি। এদিকে, মেহেদী হাসান মিরাজ কাঁধের চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে উঠেননি। মিরাজের বিকল্প হিসেবেই আফগানিস্তান সিরিজে সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে মোসাদ্দেককে, জানালেন মিনহাজুল।

তিনি জানালেন, ‘অলরাউন্ডারের চিন্তা থেকেই মোসাদ্দেককে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কারণ মিরাজের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা সন্দেহ আছে আমাদের। এখন পর্যন্ত যতখানি আছে, শতভাগ ফিট নয় সে। ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। সেই হিসেবে মিরাজের ব্যাকআপ হিসেবে মোসাদ্দেক হোসেনকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ’

অলরাউন্ডাড় হিসেবে সুযোগ পেলেও বল হাতে মোসাদ্দেক কতটুকু কী করতে পারবেন সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেই এই মৌসুমে নিজের সর্বশেষ ১০ ম্যাচে বল হাতে নিয়েছেন মাত্র তিন বার, উইকেট নেই একটিও। বাংলাদেশের হয়ে ছয়টি টি-টোয়েন্টিতে বল করে দুই উইকেট আছে তার।

প্রশ্ন উঠল চুক্তি থেকে বাদ পড়ার পরেও মোসাদ্দেককে দলে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে। মিনহাজুল মনে করছেন, ওই প্রশ্ন এখানে অপ্রাসঙ্গিক। আস্থা রাখছেন মোসাদ্দেকের অলরাউন্ড সামর্থ্যের ওপর, ‘ওটা অন্য জিনিস। আমরা মনে করছি টি-টোয়েন্টিতে বোলিং করার যথেষ্ট স্কিল আছে মোসাদ্দেকের। মাঝখানে একটু ছন্দপতন হয়েছিল। এই মুহূর্তে ফিটনেসসহ যাবতীয় বিষয়গুলো দেখে এবং টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলাপ করে আমরা তাকে নির্বাচন করেছি। ’

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট