মুখোমুখি ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া

মুখোমুখি ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া

প্রথমবার ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে ক্রোয়েশিয়া। ইংল্যান্ডকে হারানোর সব রসদই আছে তাদের। আসরে সবচেয়ে শক্তিশালী মাঝমাঠ ক্রোয়েশিয়ার। এদিকে ১৯৬৬-এর পর দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের খুব কাছে ইংল্যান্ড। একদল তরুণ তুর্কি নিয়ে থ্রি লায়নদের পথ দেখাচ্ছেন গ্যারেথ সাউথগেট। মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু রাত ১২টায়।

একটা দল সেমিফাইনাল খেলেছে ২০ বছর আগে। আরেকটা তারও আট বছর আগে। ৯৮-এ ফ্রান্সের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ হয় ক্রোয়েশিয়ার। আর ১৯৬৬’র পর আর কখনো ফাইনালে খেলা হয়নি ইংল্যান্ডের। সেবারই সোনালি ট্রফি জিতেছিলো থ্রি লায়ন্স। তাই অধরা ফাইনাল নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নিংড়ে দিতে চাইবেন খেলোয়াড়েরা।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়াকে হিসেবের খাতায় রাখেনি কেউ। কিন্তু গ্রুপপর্বের পর নকআউট আর কোয়ার্টারে নিজেদের সামর্থ্য বুঝিয়েছে দুদল।

জ্লাতকো দালিচ হুংকার দিয়েছেন, মেসিকে আটকানো গেছে, কেইনকে থামানোও কঠিন হবে না। কিন্তু মডরিচ-রাকিটিচরা কি পারবেন কোচের কথা রাখতে? টানা খেলায় ক্লান্ত ফুটবলাররা। ছয় দিনের মধ্যে খেলতে হয়েছে ২৪০ মিনিট। টুর্নামেন্টে আট ভিন্ন ফুটবলার নয় গোল করেছেন। যেখানে ফরোয়ার্ডদের অবদান কম। ইনজুরির কারণে সিমে ভ্রাসাইকো ছিটকে গেছেন। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থাকলেও খেলবেন গোলকিপার সুবাসিচ।

ক্রোয়েশিয়ার কোচ জ্লাতকো দালিচ বলেন, ২০ বছর আগের স্মৃতি ফিরে আসছে। এটা আমাদের গর্ব যে, আমরা সেমিফাইনাল খেলছি। আমাদের নজর এখন ফাইনালের দিকে। আমাদের বড় শক্তি দেশপ্রেম। সর্বোচ্চটুকু দিয়েই চেষ্টা করবে ছেলেরা। একটা ভাল ম্যাচ হতে যাচ্ছে।

দলে বড় তারকা নেই। কিন্তু হ্যারি কেইন-ডেলে আলিরা ইংল্যান্ডকে পথ দেখাচ্ছেন। ক্রোয়েশিয়া যেখানে টানা খেলায় ক্লান্ত, সেখানে সেমিফাইনালের আগে বেশ কয়েকদিন বিশ্রাম পেয়েছে থ্রি লায়ন্স। ইংলিশ কোচের মাথা ব্যথার কারণ ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ড। এই একটা জায়গা নিয়ে কাজ করতে হবে ইংলিশ কোচকে। ইনজুরি কাটিয়ে ফিরছেন জর্ডান হেন্ডারসন। গ্রয়েন ইনজুরিতে জেমি ভার্ডিকে নিয়ে আছে শঙ্কা।

ইংল্যান্ডের কোচ গ্যারেথ সাউথগেট বলেন, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে আমরা সবাই বেশ রোমাঞ্চিত। সবাই যেভাবে আমাদের সমর্থন করছে তাতে বাড়তি অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। ক্রোয়েশিয়া খুবই ভাল দল। ওদের বল পজেশন থেকে শুরু করে স্কোরিং সবই অনেক ভাল। আমাদেরকে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে। বড় কিছুর প্রত্যাশায় আছি।

বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি দুদল। তবে ভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাত দেখায় চার জয়ে এগিয়ে ইংল্যান্ড।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট