মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরি

মুশফিকের ডাবল সেঞ্চুরি

মুশফিকুর রহিম মান বাঁচানোর লড়াইয়ে সতীর্থরা যখন আসা-যাওয়ার মিছলে তখন বুক চিতিয়ে লড়ছেন। ইতোমধ্যে ডাবল সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন তিনি। নির্ভরতার অপর নাম যে মুশফিক। আবারও সেটা প্রমাণ করলেন।

টেস্ট ক্যারিয়ারের এটি তার দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। ৪০৭ বল খেলে মহাকাব্যিক এই ইনিংস খেলেন তিনি। তার এই ইনিংসে ১৬টি চার ও ১টি ছক্কার মার রয়েছে। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০১৩ সালে গলে দেশের ইতিহাসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি (২০০) করেছিলেন তিনি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনে সাত উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৮৬ রান। মুশফিক ২০০ ও মিরাজ ৫১ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন নির্বিঘ্নে শুরু করেছিলো মুশফিকরা। প্রথম সেশনে প্রতিরোধ দিয়ে খেলেন মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মধ্যাহ্ন ভোজনে যাওয়ার আগে প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ছিলো ৫ উইকেটে ৩৬৫ রান।

প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে প্রতিরোধ দিয়ে খেললেও দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে মনোযোগ হারিয়ে বিদায় নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আবারও খোঁচা মারতে গিয়ে বলি হলেন অধিনায়ক রিয়াদ। বিদায় নেন ৩৬ রান করে। এরপর দায়িত্ব জ্ঞানহীন শট খেলে বিদায় নেন আরিফুল হকও।

মুশফিকুর রহিম নির্ভরতার প্রতীক হয়েই ব্যাট করেছন। দ্বিতীয় দিন অস্বাভাবিক আচরণ করা শুরু করেছে পিচ। এমন বৈপরীত্যের মাঝেও প্রথম সেশনে দুই ব্যাটসম্যানের ধৈর্য ছিলো। ৩০ ওভারে এই সেশনে রান এসেছে ৬২। জুটি থেকে আসে ৭৩ রান। অথচ বিরতির পর পেসার কাইল জার্ভিসের বাইরের লেন্থের বল অযথা খোঁচা মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে দেন উইকেটকিপারকে। ১১০ বল খেলা মাহমুদউল্লাহর ইনিংসের ইতি ঘটে ৩৬ রানে। তারপর নতুন নামা আরিফুল অযথা শট খেলে জার্ভিসের বলে পয়েন্টে ধরা পড়েছেন ব্রায়ান চারির হাতে। ১৮ বল খেলা আরিফুল হকের সংগ্রহ ছিলো ৪ রান।

মেহেদী হাসান মিরাজ নামলে দ্রুত গতিতে স্কোর বোর্ডে রান জমা করতে থাকেন মুশফিকুর রহিম। ব্যাট করছেন ১৯৫ রানে রানে। বছরের দীর্ঘ সময় লম্বা ইনিংসের অপেক্ষায় থাকা মুশফিক কাঙ্ক্ষিত ইনিংসের দেখা পেতে অক্ষোয় আছেন দ্বিতীয় টেস্টে। মিরাজও দ্রুত গতিতে রান তুলছেন। ক্রিজে আছেন ৪০ রানে। এই জুটিতে অষ্টম উইকেটে এসেছে ৯২ রান।

এদিন অবশ্য শততম ওভারে জিম্বাবুয়ের জন্যে আচমকা ধাক্কা হয়ে আসে চাতারার ইনজুরি। রান আপ শুরু করে মাঝ পথেই দৌড় থামিয়ে দেন পায়ে টান পড়ে যাওয়ায়। অবস্থা শোচনীয় হওয়ায় তাকে দ্রুত স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে বের করে আনা হয়। তার বদলে ওভার শেষ করেন তিরিপানো। পরে জানা যায় গ্রেড ২ মাত্রার চোট নিয়ে ছিটকে গেছেন পুরো ম্যাচ থেকেই!

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট