মেকআপের খুঁটিনাটি বিষয়

মেকআপের খুঁটিনাটি বিষয়

প্রতিদিন নানা কাজে ঘর থেকে বের হলে কিংবা উৎসব-আনন্দে অন্য সবার সঙ্গে নিজেকে শামিল করতে হলে আমরা মেকআপের আশ্রয় নিই। নিজের সৌন্দর্যকে আরেকটু বৃদ্ধি করতে কিংবা পরিশালিত উপায়ে অন্যের কাছে উপস্থাপন করতে মেকআপের বিকল্প নেই।

আধুনিক যুগের যেকোনো নারীর জন্য মেকআপ সত্যিকার অর্থেই এক সহায়ক শক্তি। তাই এই শক্তিকে যথাযথ ব্যবহারের জন্য আমাদের জানা প্রয়োজন কীভাবে নিজের ত্বকের জন্য উপযুক্ত মেকআপ বেছে নেওয়া দরকার । সব নারীই চায় বাইরে যাওয়ার আগে নিজেকে একটু রাঙিয়ে নিতে। রঙিন সাজে সাজার ক্ষেত্রে মেকআপের জুরি মেলা ভার। তবে এই মেকআপের ক্ষেত্রে একটু যত্নশীল হওয়া উচিত। যেমন ধরুন- পণ্যের মেয়াদ, কতবার ব্যবহার করা উচিত ইত্যাদি। আসুন এ প্রসঙ্গে একটু জেনে নেই-

১. মেকআপের আয়ু বাড়ানোর ভালো উপায় হলো মেকআপ পণ্য কিনে ফ্রিজে রেখে দেওয়া। এতে পণ্যটি ভালো থাকে।

২. ব্যবহারের পর মেকআপের ঢাকনা ঠিকভাবে বন্ধ হয়েছে কি না একবার দেখে নেওয়া।

৩. মেকআপগুলোর মধ্যে মাসকারার আয়ু সবচেয়ে কম। মাত্র তিন মাস। পুরনো মাসকারা ব্যবহারে চোখে সহজেই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটার সম্ভাবনা থাকে। আর হ্যাঁ, ভুলেও ৯০ দিন পেরুনোর পর মাসকারায় জল মিশিয়ে ব্যবহারের চেষ্টা করবেন না। তাতে হিতের বিপরীত হবে।

৪. আই পেন্সিল বা কাজল পেন্সিলের বিষটা একটু আলাদা। নির্ভয়ে ব্যবহার করতে পারেন টানা দুই বছর। তবে প্রতিবার ব্যবহারের আগে মুখটা কেটে নিতে ভুলবেন না।

৫. লিক্যুইড আইশ্যাডোর আয়ু মাত্র এক বছর। তবে পাউডার আইশ্যাডো দুই বছর চালিয়ে নিতে পারেন।

৬. চোখে যদি কোনো রকম ইনফেকশন হয়, তাহলে ভুলেও মেকআপ দিবেন না। দুই দিন না হয় একটু নো মেকআপ লুকে থাকলেন। চোখটা তো বাঁচবে।

৭. টানা দুই বছর একই লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু কখনও শুনেছেন কি প্রতিবার ব্যবহারের আগে লিপস্টিকের মুখটা একটু ছুঁচলো করে নিতে হয়?

৮. ক্রিম ব্লাশ এক বছর আর পাউডার ব্লাশ নির্ভয়ে দুই বছর ব্যবহার করতে পারেন৷

৯. ময়েশ্চারাইজার বেসড ফাউন্ডেশন আর কনসিলিয়র মাত্র ১৮ মাস ঠিক থাকে। এরপর ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

১০. নতুন মেকআপ পণ্য ব্যবহার শুরুর সময় তার উপর তারিখ লিখে রাখুন। তাহলে ব্যবহারের সময় মনে রাখতে সুবিধা হবে।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট