যা করতে হবে টিয়ার গ্যাসে আক্রান্ত হলে 

যা করতে হবে টিয়ার গ্যাসে আক্রান্ত হলে 

মিছিলে মিটিংয়ে না যেয়েও ‘টিয়ার গ্যাস’য়ের পাল্লায় পড়তেও হতে পারে। এই গ্যাসের প্রভাব নিষ্ক্রিয় করার কয়েকটি পন্থা রয়েছে।

টিয়ার গ্যাস রাসায়নিক অস্ত্র। তবে প্রাণঘাতী নয়।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে টিয়ার গ্যাস-বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই গ্যাসের প্রভাবে মৃত্যু না হলেও তাৎক্ষণিকভাবে নানারকম ক্ষতি করতে পারে। যেমন- ত্বকে ও মুখে জ্বালাপোড়া করা, শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা এবং গ্যাসের কারণে দেখতে সমস্যা হওয়া।

যে কোনো কারণেই হোক, টিয়ার গ্যাসে আক্রান্ত হলে যা করতে হবে-

* টিয়ার গ্যাসে আচ্ছাদিত জায়গা থেকে যত দ্রুত সম্ভব সরে আসতে হবে।

* বাতাসের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে। এতে বাতাসের প্রবাহে টিয়ার গ্যাস আপনার পেছনে চলে যাবে, ফলে চোখ ও মুখ গ্যাস থেকে রক্ষা পাবে।

* ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে চোখে দেওয়া পানি যেন কাপড় ও চামড়ায় না পড়ে। তাই মুখ নিচু করে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিতে হবে।

* শরীর এবং পোশাকও ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুতে হবে। গরম পানি কখনও ব্যবহার করা যাবে না। কারণ গরম পানি লোমকূপ বড় করে দেয়। ফলে রাসায়নিক পদার্থ শরীরের ভেতর আরও বেশি প্রবেশ করে। যে কারণে ত্বকে জ্বালাপোড়া বেড়ে যেতে পারে। আর টিয়ার গ্যাসের প্রভাব সম্পূর্ণ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত গোছল করা যাবে না।

এই গ্যাসের প্রভাবে স্থায়ী ক্ষতি না হলেও সঠিকভাবে নিষ্কৃয় ও অপসারণ না করলে শরীরে দীর্ঘক্ষণ অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করে প্রাথমিকভাবে এর প্রভাব মুক্ত হয়ে অবশ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট