যুদ্ধের ‘নরক’ দর্শন শান্তির আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে: আবি

যুদ্ধের ‘নরক’ দর্শন শান্তির আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে: আবি

চলতি বছরে নোবল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ বলেছেন, একজন তরুণ ইথিওপীয় সৈনিক হিসেবে নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতাগুলো প্রতিবেশী দেশের সাথে দীর্ঘ সংঘাত অবসানে তার দৃঢ় সংকল্প তৈরি করেছিল।

মঙ্গলবার নরওয়ের রাজধানীর অসলোতে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করতে এসে ইথিওপীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জড়িত থাকা সবার জন্য যুদ্ধ হলো নরকের প্রতিমূর্তি। আমি তা জানি, কারণ আমি সেখানে ছিলাম এবং ফিরে এসেছি।’

প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সাথে নিজ দেশের দ্বন্দ্ব সমাধানে ভূমিকা রাখায় চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান আবি আহমেদ। মনোনয়ন পাওয়া ২২৩ ব্যক্তি এবং ৭৮ প্রতিষ্ঠাকে পেছনে ফেলে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি জেতেন তিনি।

শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অর্জনের প্রচেষ্টার জন্য এবং বিশেষত প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সাথে সীমান্ত সংঘাত নিরসনে নিষ্পত্তিমূলক উদ্যোগের জন্য আবিকে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। সংঘাত চলাকালে তিনি সেনাবাহিনীতে ছিলেন।

সংঘাতের সময়কার স্মৃতিচারণ করে আবি বলেন, ‘কুড়ি বছর আগে, আমি সীমান্তবর্তী শহর বাডামে একটি ইথিওপীয় সেনা ইউনিটে সংযুক্ত হিসেবে রেডিও অপারেটর ছিলাম।

‘সেখানে ভালো নেটওয়ার্ক পাওয়ার আশায় কয়েক মিনিটের জন্য ওই স্থান থেকে বের হয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ফিরে এসে আমি জানতে পেরেছি আমার পুরো ইউনিট একটি আর্টিলারি আক্রমণে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে,’ যোগ করেন তিনি।

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট