যুব এশিয়া কাপেও ভারতের কাছে যুবাদের স্বপ্নভঙ্গ

যুব এশিয়া কাপেও ভারতের কাছে যুবাদের স্বপ্নভঙ্গ

ভারতের অনুর্ধ-১৯ দলের বিপক্ষে তীরে এসে তরী ডুবিয়েছে টাইগার যুবারা। ভারতের দেয়া ১৭৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ১৭০ রানের অলআউট হয়ে যায় শামীমরা। ফলে ২ রানের হার মানতে হয় হৃদয়দের।

১৪ ওভারে দরকার ৩৩ রান। হাতে ৪ উইকেট। সেখান থেকে আর ২২ রান তুলতে নেই আরও ৩ উইকেট! শেষ পর্যন্ত হার ২ রানের!

বৃহস্পতিবার যুব এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে মিরপুরে এভাবে হেরে বিদায় নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। সিনিয়র এশিয়া কাপেও জিততে জিততে শেষ বলে হেরেছিলেন মাশরাফীরা।

শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ভারত এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশকে ১৭৩ রানের টার্গেট দেয়। বাংলাদেশ ৪৬.২ ওভারে ১৭০ রানে অলআউট হয়।

জবাব দিতে নেমে ৪২ রানে ৩ উইকেট হারালেও শামীম হোসেন এবং আকবর আলীর ব্যাটে জয়ের পথে থাকে বাংলাদেশ। শামীম ৭৮ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন। আকবর আলী ৬৩ বলে করেন ৪৫। এর আগে তিন নম্বরে নেমে মাহমুদুল হাসান জয় ৩৯ বলে করেন ২৫। এরপরই বাংলাদেশ লাইনচ্যুত হয়।

সিদ্ধার্থ দেশাই, মোহিতরা দ্রুত উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেন। ১৬১ রানে পড়ে যায় নবম উইকেট। সেখান থেকে আর ফিরে আসতে পারেনি বাংলাদেশ।

সিদ্ধার্থ ১০ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। মোহিতও নেন ৩ উইকেট। দুটি উইকেট নেন হার্শ।

বাংলাদেশের মতো ভারতেরও ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো ছিল না। দলীয় তিন রানের সময় ভারতীয় ইনিংসে আঘাত হানেন বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম। ইনফর্ম ব্যাটসম্যান দেবদত্ত পাদিকালকে (১) ফেরান তিনি।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৬৬ রান তুলে শুরুর বিপর্যয় সামাল দেন ওপেনার জয়সওয়াল (৩৭) ও অঞ্জু রাওয়াত (৩৫)। এই জুটি ভাঙতেই আবার ব্যাকফুটে চলে যায় ভারত। তাদের চতুর্থ ও পঞ্চম ব্যাটসম্যান আউট হন যথাক্রমে ০ ও ২ রানে।

শরিফুলের সঙ্গে উইকেট তোলার মিছিলে যোগ দেন রিসাদ হোসেন, তৌহিদ হৃদয় ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। মাঝপথে বাংলাদেশ বোলারদের চাপে ফেলেন দুই ভারতীয় ব্যাটসম্যান বাদোনি (২৮) ও সামির চৌধুরী (৩৬)। তবে ভারতের লেজের ব্যাটসম্যানদের দ্রুত সাজঘরে ফিরিয়ে তাদের ২০০’র আগেই আটকে দেয় টাইগার যুবারা।

বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন রিসাদ, মৃত্যুঞ্জয় এবং তৌহিদ হৃদয়।

 

 

*রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন*
সম্পর্কিত সংবাদ
Leave a reply
ডেস্ক রিপোর্ট