রায়ে সন্তোষ প্রকাশ দুদক আইনজীবীর

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ দুদক আইনজীবীর

এবার দুর্নীতির আরেক মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড হলো বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়াসহ চার আসামির সবাইকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে কেনা ৪২ কাঠা জমি বাজেয়াপ্ত করেন আদালত। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুদক আইনজীবী।

রায় প্রত্যাখ্যান করে আপিল করার কথা জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। এর আগে, সকালে বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই মামলা চলা নিয়ে একটি আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।

বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা চলবে কিনা এ নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে আইনি বিতর্কের অবসানের পর সোমবার(২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে রায় ঘোষণা শুরু করেন আদালত।

প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত রায়ে আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বেগম জিয়াসহ চার আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ট্রাস্টের নামে কেনা ৪২ কাঠা জমিও বাজেয়াপ্ত করা হয়। বেগম জিয়া ছাড়া এ মামলার অপর তিন আসামি হলেন, বেগম জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর একান্ত সহকারী জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং তৎকালীন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সহকারী মনিরুল ইসলাম খান।

দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আদালত তাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের জেল দিয়েছেন। অন্য তিন আসামিকেও একই শাস্তি দেয়া হয়েছে।

এ রায়ে দুদকের আইনজীবী সন্তোষ প্রকাশ করলেও ন্যায় বিচার পাননি দাবি করে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, এই রায়কে আমি বলছি ফরমায়েশি সাজা। ফরমায়েশ আসে এবং ইচ্ছামতো সাজা দেয়া হয়।

এর আগে সকালে বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলা নিয়ে বেগম জিয়ার আইনজীবীদের আবেদন খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অনিয়মের অভিযোগে ২০১১ সালে বেগম জিয়া সহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক। এই চার আসামির মধ্যে শুধু হারিছ চৌধুরী পলাতক রয়েছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ
ডেস্ক রিপোর্ট